শাহ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ
অবয়ব
শাহ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ(১৯৫০–২০২৪) ছিলেন বাংলাদেশের একজন ইসলামী ব্যক্তিত্ব ও ধর্মীয় নেতা।তিনি ছারছীনা দরবার শরীফের পীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং দীনিয়া মাদ্রাসা বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেন।দেশ ও দেশের বাহিরে ২৫০০ দ্বীনিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
উক্তি
[সম্পাদনা]- হক্কানী আলেমগণ নবীদের ওয়ারিশ তথা উত্তারাধীকারী।
- নেয়ামত প্রাপ্ত হতে হলে আগে আমল করতে হবে।
- মুসলমান বেদ্বীনের আমল করবে না, করবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আমল।
- শুধুমাত্র লম্বা জামা পাগড়ী থাকলেই হক্কানী আলেম হয় না। কারণ আজকাল হক্কানী আলেম নামধারী অনেক ধোকাবাজ বের হয়েছে।
- আমাদের জীবনে চলার পথে হক্কানী আলেমের কোন বিকল্প নেই।
- যদি হক্কানী আলেম থাকে তাহলে দ্বীন থাকবে। আর যদি হক্কানী আলেম না থাকে তাহলে দ্বীন থাকবে না।
- বেআমলী আলেমকে কেয়ামতের দিন চরমভাবে শাস্তির সম্মুখীন করা হবে।
- ফাসেক আলেমের এত্তেবা (অনুসরণ) করলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এত্তেবা হবে না।
- খাঁটি মুসলমান তৈরী করাই ছারছীনা দরবারের লক্ষ্য।
- দ্বীনিয়া মাদরাসা প্রতিষ্ঠাকালে মরহুম হুজুর কিবলা কয়েকজন দীনিয়া মাদরাসার ছাত্রকে সম্বোধন করে বলেন, আমি দ্বীনিয়া মাদরাসার সূচনা করে গেলাম আর এই প্রতিষ্ঠান থেকে বের হওয়া আলেমের চাহিদা এতই বাড়বে, তাদেরকে এক সময়মানুষ খোজ করবে কিন্তু পাবে না। হয়তো সেই সময়টা আমি পাবো না।
- ইসলামে আত্মশুদ্ধি অর্জন করা অতীব জরুরি। আমাদের শরীর অসুস্থ হয়ে পড়লে আমরা ডাক্তারের শরণাপন্ন হই, ঠিক তদ্রুপ অন্তরের রোগসমূহ যেমন- ক্রোধ, হিংসা-বিদ্বেষ, পরশ্রীকাতরতা ইত্যাদি রোগের একজন রূহানী ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে তার নির্দেশমত জীবন পরিচালনা করার প্রয়োজন হয়। অন্যথায় বিপথগামী হওয়ার শঙ্কা থাকে।
- যে তরিকায় আদব নেই ওটা ভণ্ডামী ছাড়া আর কিছুই নয়।
- শুধু তাওয়াক্কুল করে বসে থাকলে হবে না। পাশাপাশি কাজ করার প্রতিও ইসলামে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। যেমন বাঘ এসে পড়েছে, তখন তার কবল থেকে আত্মরক্ষার চেষ্টা না করা, রোগ বালাই হইলে চিকিৎসা পরিহার করা, রুটি বানিয়ে মুখে না দিয়ে বসে থাকা এবং মনে মনে ধারণা করা যে, রুটিখানা আপনা আপনি মুখে ঢুকে যাবে। এটা অহেতুক ভাবনা বা চিন্তাধারা।
-
- আকিদার দিকে খেয়াল রাখতে হবে। আকিদা যার ঠিক তার সব ঠিক। আকিদা যার ভালো আমল তার ভালো। তাই আপনারা সেদিকে খেয়াল করে আমল করবেন।আর সন্তানদের দিকে খেয়াল রাখবেন তাদের আকিদার দিকে গুরুত্বারোপ করবেন। আমলের দিকে খেয়াল রাখবেন। কেননা, অনেক মানুষ তাদের আমলের কারণে বেঈমান হয়ে যায়, কেউ মুতরাদ হয়ে যায়, কেউ ফাসেক হয়ে যায়। তাই জানতে হবে কোন আমলে আমার ঈমান থাকে আর কোন আমলে আমার ঈমান চলে যায়। (অগ্রহায়ণ- ১৪৩০ বাং/নভেম্বর- ২০২৩ইং)
- বাবা মুসলমান, দাদা মুসলমান তাই আমিও মুসলমান, না এমন না। মুসলমান হবে আমলে। তাই আমার সাবধানে থাকতে হবে। আমার আমল এমন না হয় যে আমার ঈমানটাই শেষ হয়ে যায়। তাই খুব সাবধান। নিজের ঈমানকে রক্ষা করার জন্য খুব সাবধান। যার ঈমান ঠিক তার সব ঠিক। ঈমান নিয়া কবরে যেতে হবে আমার। (অগ্রহায়ণ- ১৪৩০ বাং/নভেম্বর- ২০২৩ইং)
- সবাই পাগড়ি পরিধান করবেন। জায়নামাজ কোন ফ্যাশন নয় এটা আমার নামাজকে ঠিক রাখার জন্য। জমিন যদিও পাক তারপরও তাকওয়ার জন্য জায়নামাজ।(অগ্রহায়ণ- ১৪৩০ বাং/নভেম্বর- ২০২৩ইং)
- কোন ইমামের পিছনে আমার নামাজ হয় তা বুঝে নামাজ পড়বেন। যদি ইমান আকিদা, আমল ঠিক থাকে তাহলে তার পিছনে নামাজ পড়বেন।(অগ্রহায়ণ- ১৪৩০ বাং/নভেম্বর- ২০২৩ইং)</sup
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]উইকিপিডিয়ায় শাহ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ সম্পর্কিত একটি নিবন্ধ রয়েছে।