শুভেন্দু অধিকারী
অবয়ব
শুভেন্দু অধিকারী (জন্ম: ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭০) একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ, যিনি ২০২১ সালের মে মাস থেকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পশ্চিমবঙ্গ শাখার কার্যত নেতা এবং প্রধান মুখ হিসেবে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত অধিকারী, তাঁর রাজনৈতিক জীবনের শুরুর দিকের অনেকটা সময় সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের একজন বরিষ্ঠ সদস্য হিসেবে অতিবাহিত করেছেন। ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি রাজনৈতিক পরিচিতি ও গুরুত্ব অর্জন করেন; পরবর্তীতে ২০১৬ সাল থেকে ২০২০ সালে পদত্যাগ করা পর্যন্ত, এই দলে থাকাকালীন তিনি রাজ্যের মন্ত্রিসভার একজন মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

উক্তি
[সম্পাদনা]- আমি সকলের বিধায়ক নই, আমি শুধুমাত্র হিন্দুদের বিধায়ক।
- জয় বাংলা ভারতের স্লোগান নয়, এটি বাংলাদেশের স্লোগান। বাংলাদেশের স্লোগান ভারতে চলবে না।
শুভেন্দু অধিকারী সম্পর্কে উক্তি
[সম্পাদনা]- ভোটে জয়ী হওয়ার পরে কোন জনপ্রতিনিধি বিশেষ কোন রাজনৈতিক দলের বিধায়ক কিংবা সাংসদ হিসেবে পরিচিত হন না। তিনি সকলের বিধায়ক কিংবা সাংসদ। শুভেন্দু অধিকারী যে মন্তব্য করেছেন তা সংসদীয় গণতন্ত্রের লজ্জা। উনি এভাবেই সাম্প্রদায়িকতার বিষ ছড়িয়ে সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা করছেন। মেকি মানবতা পূজারী। ওঁকে ধিক্কার জানাই।
- শুভেন্দু অধিকারী নিজেকে শুধুমাত্র হিন্দুদের বিধায়ক দাবি করার প্রতিবাদ জানিয়ে সিপিএমের পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য পরিতোষ পট্টনায়ক এই মন্তব্য করেছেন। [৩]
- ক্যামেরার সামনে, টিভি ক্যামেরার সামনে....কত (টাকা) নিয়ে এসেছ? আচ্ছা আনো আনো। আর এইভাবে কুর্তায় (টাকাগুলো) রেখে দিল। টিভিতে কি আপনারা দেখননি? আর চেহারাটা কত ভোলাভালা ছিল। মনে হচ্ছিল এটা তো রোজকার অভ্যাসের মত। আর কিছু লোক তো টিভির সামনেই বলছিল এত কম এনেছ কেন?
- নরেন্দ্র মোদি। ২০১৬ সালে এক জনসভায় শুভেন্দু অধিকারীকে ব্যাঙ্গ করে তার ঘুষ নেওয়ার ঘটনাটি অভিনয় করে দেখাচ্ছিলেন নরেন্দ্র মোদি। [৪][৫][৬]
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]উইকিপিডিয়ায় শুভেন্দু অধিকারী সম্পর্কিত একটি নিবন্ধ রয়েছে।