বিষয়বস্তুতে চলুন

সীতা রাম গোয়েল

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে

সীতা রাম গোয়েল (১৬ অক্টোবর ১৯২১ – ৩ ডিসেম্বর ২০০৩) একজন ভারতীয় হিন্দু জাতীয়তাবাদী লেখক এবং প্রকাশক ছিলেন। তিনি বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে হিন্দুধর্ম এবং হিন্দু জাতীয়তাবাদ সংক্রান্ত তার সাহিত্যের জন্য পরিচিত ছিলেন। তিনি ভয়েস অফ ইন্ডিয়ার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। তার পরবর্তী কর্মজীবনে গোয়েল ভারতীয় রাজনীতির একজন ভাষ্যকার হিসেবে কাজ শুরু করেন এবং সরাসরি হিন্দুত্ব মতাদর্শের সাথে নিজেকে যুক্ত করেন। তার এই অবস্থান ভারতীয় সমাজ ও রাজনীতির গবেষক এবং পর্যবেক্ষকদের মধ্যে যথেষ্ট বিতর্ক ও পর্যালোচনার জন্ম দিয়েছে।

উক্তি

[সম্পাদনা]

ক্যাথলিক আশ্রমস (১৯৯৪)

[সম্পাদনা]
  • মৌলবাদ হিন্দুধর্মের কাছে ঠিক ততটাই অচেনা যতটা সততা খ্রিস্টান মিশনারিদের কাছে।

দ্য ক্যালকাটা কুরআন পিটিশন (১৯৮৬)

[সম্পাদনা]
  • সংশ্লিষ্ট সবার এটা বোঝা উচিত যে ভারত সবসময়ই ইসলামের চরম গোঁড়ামি এবং রক্তপিপাসু ধর্মান্ধতার একটি দুর্গ ছিল এবং এখনও তাই আছে। এর পেছনে অনেক ঐতিহাসিক কারণ রয়েছে। আমার কাছে এখানে সেগুলো বিস্তারিত বলার সময় নেই। তবে মূল কারণটি বলা যেতে পারে। ভারতে ইসলাম এমন হওয়ার কারণ হলো, ভারত সব সময় ইসলামের সামনে তার সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হিসেবে দাঁড়িয়ে থেকেছে। যেসব দেশ ইসলাম পুরোপুরি ধর্মান্তরিত করতে পেরেছে, সেখানে তারা যেভাবে শান্ত হতে পেরেছে, ভারতে তা কখনও পারেনি। আর হিন্দুরা যতক্ষণ না কুরআনে প্রোথিত ইসলামের আদর্শিক বিষদাঁতগুলো ভেঙে ফেলতে শিখবে, ততক্ষণ ইসলাম শান্ত হবে না।

ডিফেন্স অফ হিন্দু সোসাইটি (১৯৮৩)

[সম্পাদনা]
  • যখন কেউ মন দিয়ে খ্রিস্টধর্ম ও ইসলামের শাস্ত্রগুলো পড়ে, তখন সে 'ঈশ্বর' শব্দটি শুনলেই বিরক্ত হয়ে ওঠে। এই শব্দগুলো শরতের মরা পাতার মতো পুরো সাহিত্যে ছড়িয়ে আছে। এই ঈশ্বরের নামে যে কাজগুলো করা হয় বা তিনি যেসব কাজ অনুমোদন করেন, সেগুলো প্রায়ই এতটাই নিষ্ঠুর এবং জঘন্য হয় যে মানুষকে অবাক হয়ে ভাবতে হয়, এগুলো যদি ঐশ্বরিক কাজ হয়, তবে শয়তানের করার জন্য আর কী বাকি রইল।

মুসলিম সেপারেটিজম – কজেস অ্যান্ড কনসিকুয়েন্সেস (১৯৮৭)

[সম্পাদনা]
  • হিন্দুরা যদি কোনো জনসভায় বন্দে মাতরম গাইত, তবে সেটি ছিল মুসলমানদের কাফেরে পরিণত করার একটি 'ষড়যন্ত্র'। হিন্দুরা যদি শাঁখ বাজাত, বা ডাব ভাঙত, অথবা কোনো পূজনীয় দেশপ্রেমিকের ছবিতে মালা দিত, তবে সেটি ছিল মুসলমানদের 'মূর্তিপূজায়' বাধ্য করার একটি চেষ্টা। হিন্দুরা যদি তাদের নিজস্ব কোনো ভাষায় কথা বলত, তবে সেটি ছিল ইসলামের সংস্কৃতির প্রতি এক ধরনের 'অবমাননা'। হিন্দুরা যদি তাদের ইসলাম-পূর্ব সময়ের বীরদের নিয়ে গর্ব করত, তবে সেটি ছিল ইসলামি ইতিহাসের 'অবমূল্যায়ন'। এভাবেই প্রতিটি জাতীয় আত্মপ্রকাশের বিরুদ্ধে ছোট-বড় অনেক আপত্তি ছিল। সংক্ষেপে বলতে গেলে, এটি ছিল হিন্দুদের হিন্দুত্ব ত্যাগ করে শেকড়হীন এক পরিচয়হীন জনসমষ্টিতে পরিণত করার দাবি। অন্যদিকে, 'সংখ্যালঘু সম্প্রদায়' তাদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অধিকার হিসেবে যা দাবি করত, সে বিষয়ে সামান্যতম ছাড় দিতেও রাজি ছিল না। হিন্দুরা যদি গো-হত্যা বন্ধের অনুরোধ করত, তবে সেটি ছিল একটি 'প্রতিষ্ঠিত ইসলামি প্রথা' ত্যাগ করার দাবি। হিন্দুরা যদি বাজারে খোলাখুলি গরুর মাংস বিক্রির বিরোধিতা করত, তবে সেটি ছিল মুসলমানদের 'নাগরিক অধিকারে' হস্তক্ষেপ। হিন্দুরা যদি দাবি করত যে ধর্মীয় বলির জন্য নির্ধারিত গরুগুলোকে সাজিয়ে হিন্দু এলাকা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে না, তবে সেটি ছিল 'দীর্ঘদিনের ইসলামি ঐতিহ্যকে পদদলিত করা'। হিন্দুরা যদি আবেদন করত যে জনপথ দিয়ে যাওয়া হিন্দু ধর্মীয় শোভাযাত্রায় বাধা দেওয়া হবে না, তবে সেটি ছিল 'মুসলমানদের প্রার্থনার শান্তি বিঘ্নিত করার' একটি চেষ্টা। হিন্দুরা যদি আদালত ও প্রশাসনে তাদের মাতৃভাষাকে উর্দুর সমান মর্যাদা দিতে চাইত, তবে সেটি ছিল 'মুসলিম সংস্কৃতির ওপর আক্রমণ'। হিন্দুরা যদি তাদের সন্তানদের মুসলিম অত্যাচারীদের সঠিক ইতিহাস শেখাত, তবে সেটি ছিল 'ইসলামি বীরদের বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক প্রচার'। আর এই 'সংখ্যালঘু সম্প্রদায়' সব সময়ই রাজপথে দাঙ্গা করে তাদের 'ধর্ম ও সংস্কৃতি' রক্ষা করার জন্য প্রস্তুত ছিল।

ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন - সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারেল ডেমোক্রেসি (১৯৯৮)

[সম্পাদনা]
  • খ্রিস্টধর্ম এবং ইসলামের ওপর ভ্রাতৃত্ব, সামাজিক ন্যায়বিচার, বিশ্বশান্তি, আত্মত্যাগ এবং করুণার মতো গুণগুলো আরোপ করা মানে হলো নেকড়েকে নিরামিষভোজী হিসেবে ঘোষণা করা।
  • কিন্তু যা ঘটেছে তা হলো, ভারত রাষ্ট্র সক্রিয়ভাবে সব ধর্মকে একই অর্থ দেওয়ার প্রচেষ্টাকে সমর্থন দেয় এবং যারা এর বিরোধিতা করে তাদের ওপর নিপীড়ন চালায়। সংবাদমাধ্যম এবং শিক্ষা জগতে এক বিশাল 'ধর্মনিরপেক্ষ' লেখকবাহিনীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং তাদের মোটা অংকের টাকা দেওয়া হচ্ছে ইসলাম ও খ্রিস্টধর্মকে স্বচ্ছ করার জন্য। এর ফলে তাদের ধর্মশাস্ত্রে এবং রক্তে ভেজা ইতিহাসে যা কিছু গোঁড়ামি আছে, তা সাবধানে সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। অন্যদিকে, ভারতের বহুত্ববাদী আধ্যাত্মিকতায় যা কিছু উদার ও মহৎ, মানবিক ও সভ্য ছিল, তাকে নির্দয়ভাবে নির্দিষ্ট মাপে ছাঁটাই করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় খ্রিস্টধর্মের অর্থ করা হয়েছে শুধুমাত্র 'সারমন অন দ্য মাউন্ট' বা পাহাড়ের ওপর উপদেশ। আর ইসলামকে কুরআনের প্রসঙ্গহীন দুটি বাক্যের সমান করা হয়েছে—"তোমাদের জন্য তোমাদের ধর্ম, আর আমার জন্য আমার ধর্ম" এবং "ধর্মে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।"
  • বামপন্থীরা সাধারণত মুসলিম ও খ্রিস্টান দেশগুলোতে ধর্মতন্ত্রের বিরোধিতা করে এসেছেন। কেবল ভারতেই তারা এর অপ্রতিদ্বন্দ্বী রক্ষক হয়ে উঠেছেন।
  • ভারতের নামী কোনো সংবাদপত্র বা সাময়িকী পরের লাইনগুলোতে আমি যা লিখছি তা প্রকাশ করবে না।
  • সব ধর্মই সমান ছিল। কিন্তু ইসলাম ছিল বেশি সমান।

জেনেসিস অ্যান্ড গ্রোথ অফ নেহেরুইজম (১৯৯৩)

[সম্পাদনা]
  • আমি আমাদের জনগণের সামনে এই বইটি তুলে ধরছি, যেমনটি আমি আরও অনেক বইয়ের ক্ষেত্রে করেছি। কারণ আমি কেবল আমার নিজের চিন্তা অনুযায়ী কাজ করার তাগিদের প্রতি সত্যনিষ্ঠ থাকতে চাই। বাকি সব তার হাতে, যিনি তাঁর রহস্যময় বিধান অনুযায়ী ত্রাণকর্তাদের পাশাপাশি ধ্বংসকারীদেরও পাঠান।

হিন্দু সোসাইটি আন্ডার সিজ (১৯৮১)

[সম্পাদনা]
  • এভাবে হিন্দু সমাজ কেবল এই একচেটিয়া, অসহিষ্ণু এবং সাম্রাজ্যবাদী মতাদর্শের কাছে শিকার হিসেবেই নিজেকে উপস্থাপন করে না, বরং তাদের মধ্যে একটি বাফার হিসেবেও কাজ করে। ভারত ধর্মনিরপেক্ষ কারণ ভারত হিন্দু। এর একটি স্বাভাবিক ফলাফল হিসেবে যোগ করা যেতে পারে যে ভারত একটি গণতন্ত্র কারণ ভারত হিন্দু। হিন্দু সমাজ যদি এই যথেচ্ছাচারকে আর বাড়তে দেয়, তবে এই দেশে ধর্মনিরপেক্ষতা এবং গণতন্ত্র এর দিন শেষ হয়ে যাবে। হিন্দুরা ঐক্যবদ্ধ হোক এবং নিজেদের, তাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, তাদের ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র এবং তাদের সনাতন ধর্মকে সভ্যতার এক নতুন চক্রের জন্য রক্ষা করুক কেবল নিজেদের জন্যই নয়, বরং সারা বিশ্বের জন্যও।

হাউ আই বিকেম আ হিন্দু (১৯৮২)

[সম্পাদনা]
  • আমার কাছে ধর্ম সবসময়ই ছিল নৈতিক আদর্শ, বাহ্যিক নিয়মকানুন এবং ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে জীবনে প্রয়োগ করা কিছু নিষেধের বিষয়। এখন আমাকে দেখানো হলো যে ধর্ম হলো মানুষের অস্তিত্বের অভ্যন্তরীণ নিয়মের এক বহুমাত্রিক চলন, তার মানসিক বিবর্তন, আধ্যাত্মিক বৃদ্ধি এবং নিজের ও সমাজের জন্য একটি বাহ্যিক জীবন গঠনের স্বতঃস্ফূর্ত প্রক্রিয়া।

হিস্ট্রি অফ হিন্দু-খ্রিস্টান এনকাউন্টারস (১৯৯৬)

[সম্পাদনা]
  • সেই সব মূর্খ আর ধূর্তদের মাথায় কখনো আসেনি যে, তারা যে খ্রিস্টান মিশনারিদের অনুকরণ ও সাহায্য করছে, আধুনিক পশ্চিমে তাদের এমন পাগল হিসেবে দেখা হতো যাদের এক ব্যাগ টাকা দিয়ে বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়াই ভালো।
  • ইসলামের ক্ষেত্রে আমাদের প্রচেষ্টা হলো আলোচনাকে রাস্তার পর্যায় থেকে পণ্ডিতদের প্ল্যাটফর্মে উন্নীত করা। দীর্ঘ সময় ধরে হিন্দুরা ইসলামের আদর্শে কোনো ভুল না দেখে মুসলমানদের তুষ্ট করে এসেছে। দীর্ঘ সময় ধরে মুসলমানরা রাস্তায় নেমে রক্তপাত করেছে যখনই এবং যেখানেই হিন্দুরা তাদের আচরণের ধরনে আপত্তি জানিয়েছে। মুসলমানদের কখনও হিন্দুদের পক্ষ থেকে ইসলামের মতবাদ নিয়ে ভাবার এবং যেখানে সেগুলো শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের বিরুদ্ধে যায় সেখানে তা সংশোধনের কথা বলা হয়নি। আমরা হিন্দুদের কাছে আবেদন করছি ইসলাম সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞাসা শুরু করার জন্য যাতে মুসলমানরা পুনরায় চিন্তা করতে বাধ্য হয়। যদি আলোচনার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করা সহিংসতাকে উসকে দেওয়া হয়, তবে আমরা সেই অপরাধে আবারও দোষী। হিন্দুদের নিজেদের প্রিয় মতবাদগুলো নিয়ে প্রশ্ন করার দীর্ঘ ঐতিহ্য ছিল। আমি জানি না আপনারা আমাদের ব্রাহ্মণ, বৌদ্ধ এবং অন্যান্য আচার্যদের সম্পর্কে ভালোমতো জানেন কি না। কেবল ইসলাম এবং পরবর্তীতে খ্রিস্টধর্মের আগমনের ফলেই হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে এমন অভ্যাস করানো হয়েছিল যে তারা বড় বড় দাবির মুখে চুপ থাকতো এবং কোনো প্রশ্ন করত না। আমরা সেই প্রাচীন হিন্দু ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করছি।
  • ইতিমধ্যে, আমাদের ক্ষমা করবেন এটা বলার জন্য যে আমরা আপনার চিঠির ভাষায় কোনো মাধুর্য পাইনি, আপনার যুক্তিতে কোনো মিল পাইনি, আপনার বিচারে কোনো মূল্য দেখিনি এবং সামগ্রিকভাবে আপনার এই কাজে কোনো শিল্প বা শিক্ষার ছাপ খুঁজে পাইনি।

পারভার্সন অফ ইন্ডিয়াস পলিটিক্যাল পারলেন্স (১৯৮৪)

[সম্পাদনা]
  • অভিধানে ধর্মনিরপেক্ষ শব্দের অর্থ হলো "এই বিশ্বাস যে রাষ্ট্র, নৈতিকতা, শিক্ষা ইত্যাদি ধর্ম থেকে স্বাধীন হওয়া উচিত।" কিন্তু ভারতে এর অর্থ কেবল একটিই -- হিন্দু সবকিছু বর্জন করা এবং ইসলামি সবকিছু গ্রহণ করা।

টাইম ফর স্টক-টেকিং (১৯৯৭)

[সম্পাদনা]
  • একমাত্র উল্লেখযোগ্য অবদান ছিল কাশ্মীরের অনন্তনাগ থেকে আসা একজন আরএসএস আইনজীবীর। তিনি বলেছিলেন, "আমি ইসলাম গভীরভাবে অধ্যয়ন করেছি এবং একে একটি মহান ধর্ম হিসেবে পেয়েছি। ইসলামকে কেউ কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছে, এটা আমি বুঝতে পারছি না।" পরিহাসের বিষয় হলো, ১৯৮৯ সালের শীতকালে যখন উপত্যকায় জাতিগত নিধন শুরু হয়, তখন ইসলামের এই রক্ষকই আক্ষরিক অর্থে প্রথম ব্যক্তি ছিলেন যাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল।

সীতা রাম গোয়েল সম্পর্কে উক্তি

[সম্পাদনা]
  • আমার বাবা এক বন্ধুর অফিসের ছোট একটি টেবিলে বিবলিয়া ইমপেক্স শুরু করেছিলেন। তিনি টেবিলের একপাশে বসতেন এবং তার টাইপিস্ট অন্যপাশে বসতেন। তিনি ছিলেন প্রথম সারির ভারতীয় প্রকাশকদের একজন যারা অগ্রিম টাকা না নিয়েই বিদেশে বই পাঠাতেন। অন্যান্য রপ্তানি ব্যবসায়ীরা কখনোই এটি করত না। তারা সবসময় অগ্রিম টাকা চাইত। আমার বাবা ইউরোপীয়দের সততা বুঝতে পেরেছিলেন। তিনি জানতেন তারা বিশ্বাসযোগ্য।
  • একবার যখন আমি ধর্মনিরপেক্ষবাদীদের আসল রূপ দেখে ফেলেছিলাম, তখন এটিই স্বাভাবিক ছিল যে আমি সেই সব মানুষের সাথে পরিচিত হব যাদের তারা সবসময় পবিত্র ক্রোধের সাথে নিন্দা করত। সেই তথাকথিত কুৎসিত হিন্দু দানবরা কি সত্যিই ততটা কুৎসিত? হিস্ট্রি অফ হিন্দু-খ্রিস্টান এনকাউন্টারস বইটি পড়ার পর আমি এর লেখকের খোঁজ করি এবং এভাবেই সীতা রাম গোয়েলের সাথে আমার দেখা হয়। তার কথা বলতে গেলে, আমি দেখেছি যে নৈতিক মর্যাদা এবং পাণ্ডিত্যের গভীরতায় তিনি স্টালিনপন্থী "বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ" এবং "ধর্মনিরপেক্ষতার" অন্যান্য আইকনদের পুরোপুরি ম্লান করে দিয়েছেন। এই কারণেই মীরা নন্দাকে যখন তার সীমাবদ্ধতা ভুলে গোয়েলের মতো একজন সুউচ্চ ব্যক্তিত্বকে গালি দিতে দেখি, তখন আমার ভ্রু কুঁচকে না উঠে পারে না।
    • কোনরাড এলস্ট: রিটার্ন অফ দ্য স্বস্তিকা, ২০০৪: হিন্দুইজম, এনভায়রনমেন্টালিজম অ্যান্ড দ্য নাৎসি বোগি, মীরা নন্দার প্রতি ডক্টর কোনরাড এলস্টের একটি প্রাথমিক উত্তর,
  • তথ্যের ভিত্তিতে কেউ তাকে কখনো খণ্ডন করতে পারেনি, কিন্তু অনেকেই তাকে এবং তার লেখাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করেছে। এর মাধ্যমে তারা তার কাজকে নিছক পাণ্ডিত্য থেকে সতর্কবার্তায় রূপান্তরিত করেছে। (...) বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি ঠিক সেই ধরণের কাজ যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় নিয়ে এসেছে: যেখানে বুদ্ধিভিত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না; এবং যার ফলে সেখানে কোনো আলোচনা থাকে না। এটি ঠিক সেই ধরণের কাজ যা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। (...) "মত প্রকাশের স্বাধীনতা যা বৈধ এবং সাংবিধানিকভাবে সুরক্ষিত," এটি [সুপ্রিম কোর্ট] গত বছর ঘোষণা করেছে, "কোনো অসহিষ্ণু গোষ্ঠী বা মানুষের হাতে জিম্মি হতে পারে না।"
    • অরুণ শৌরি: ফোমেন্টিং রিঅ্যাকশন। ৮ নভেম্বর ১৯৯০। থেকে উদ্ধৃত: ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারেল ডেমোক্রেসি (১৯৯৮, সীতা রাম গোয়েল সম্পাদিত)

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]