বিষয়বস্তুতে চলুন

সুরমাসুন্দরী ঘোষ

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে
এ জগতে আনাগোনা, মুক্তি ও বন্ধন,—
হেরিয়া শিশুর ছবি
ভাবে সব মুগ্ধ কবি;
শেষে ভাবে,—সবি বুঝি মায়ার স্বপন।
―সুরমাসুন্দরী ঘোষ

সুরমাসুন্দরী ঘোষ (বিবাহের পূর্বে সুরমাসুন্দরী বসু) (১৯ আগস্ট ১৮৭৪ - ১৯৪৩) ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের একজন বাঙালি মহিলা কবি। শৈশব থেকেই সুরমাসুন্দরী কবিতা পাঠ করতেন এবং নিজে ছন্দ মেলাতে চেষ্টা করতেন।। সুরমাসুন্দরীর প্রথম কাব্যগ্রন্থ সঙ্গিনী ১৯০০ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয়। তবে এর আগে তার বহু কবিতা ‘প্রদীপ’, ‘উৎসাহ’, ‘প্রভাত’ ইত্যাদি মাসিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ রঞ্জিনী প্রকাশিত হয় ১৯০২ খ্রিস্টাব্দে। তার কাব্যগ্রন্থ গ্রন্থদুটি কুন্তলীন প্রেসে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয়। ১৯০২ সালে তিনি তার ‘নিয়তি’ কবিতার জন্য কুন্তলীন পুরস্কার লাভ করেন।

উক্তি

[সম্পাদনা]
  • সকলি ডুবিয়া গেল; স্মিত চন্দ্রাননে
    বাণী-বিনিন্দিত-কণ্ঠে কহিলা লক্ষ্মণে—
    রাজ-আজ্ঞা, ভ্রাতৃ-আজ্ঞা করেছ পালন,
    ধন্য তুমি!—যাও ফিরে নগরে এখন;
    কর্তব্যে রহিও স্থির, করি আশীর্ব্বাদ।
    কেন লজ্জানত? তোমার কি অপরাধ?
    • নিৰ্ব্বাসিতা সীতা, রঞ্জিনী - সুরমাসুন্দরী ঘোষ, প্রকাশক– কুন্তলীন প্রেস, প্রকাশস্থান– কলকাতা, প্রকাশসাল– ১৯০২ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০৮-১০৯
  • শত প্রশ্ন, জানিবারে অজ্ঞেয় বারতা,
    কে ভাঙ্গিবে মোর কাছে গূঢ় জটিলতা
    আরাম-শয়নে সুখে ঘুমায় জগত,
    অন্ধ আমি, অন্ধকারে খুঁজিতেছি পথ।
    • অনন্ত, রঞ্জিনী - সুরমাসুন্দরী ঘোষ, প্রকাশক— কুন্তলীন প্রেস, প্রকাশস্থান— কলকাতা, প্রকাশসাল— ১৯০২ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪
  • ছাড়াছাড়ি, তাই যদি হবে দু’জনার,
    ভেঙ্গে যাবে জীবনের সুখের স্বপন;
    জিয়ন্তে সমাধি হবে আশার তৃষার,
    কেন মিছে হা হুতাশে জীবন যাপন!
    এস না নিকটে তবে বাড়াতে পিপাসা,
    বাসনার হুতাশনে দিও না ইন্ধন;
    থাক্ দূরে হৃদয়ের অতৃপ্ত দুরাশা,
    ছিন্ন হোক্‌, ছাই হোক্‌ প্রাণের বন্ধন!
    • ছাড়াছাড়ি, রঞ্জিনী - সুরমাসুন্দরী ঘোষ, প্রকাশক— কুন্তলীন প্রেস, প্রকাশস্থান— কলকাতা, প্রকাশসাল— ১৯০২ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯২
  • এ জগতে আনাগোনা, মুক্তি ও বন্ধন,—
    হেরিয়া শিশুর ছবি
    ভাবে সব মুগ্ধ কবি;
    শেষে ভাবে,—সবি বুঝি মায়ার স্বপন।
    • নবজাত, রঞ্জিনী - সুরমাসুন্দরী ঘোষ, প্রকাশক— কুন্তলীন প্রেস, প্রকাশস্থান— কলকাতা, প্রকাশসাল— ১৯০২ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২০

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]