বিষয়বস্তুতে চলুন

সৈয়দ আলী আহসান

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে

সৈয়দ আলী আহসান (২৬ মার্চ ১৯২২ - ২৫ জুলাই ২০০২) বাংলাদেশের একজন খ্যাতনামা সাহিত্যিক, কবি, সাহিত্য সমালোচক, অনুবাদক, প্রাবন্ধিক ও শিক্ষাবিদ ছিলেন। ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। তিনি তাঁর পাণ্ডিত্যের জন্য প্রসিদ্ধ ছিলেন। সৈয়দ আলী আহসানকৃত বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদ সরকারি ভাষান্তর হিসাবে স্বীকৃত।

উক্তি

[সম্পাদনা]
  • আমি যদি কখনো মহাকাব্য লিখি, সে মহাকাব্যে ঘটনার শাসনে নিয়ন্ত্রিত কোনো কাহিনী থাকবে না; সেখানে ইতিহাসের অংশ, অতর্কিত চিন্তার সংশয়, স্মৃতির অনুরণন, ধর্ম নির্দেশের নিষ্পেষণে আত্মার আর্তনাদ একসঙ্গে কথা বলে উঠবে।
  • আবেগ যদি চিন্তার দ্বারা সমর্থিত না হয় এবং বুদ্ধির দ্বারা পরিশোধিত না হয়, তবে সে আবেগ কুহেলিকাই সৃষ্টি করতে পারে, জীবনের সম্ভাবনা জাগায় না। তাই শুধু আবেগের ওপর নির্ভরশীল যেসব কবিতা তাতে কোনো বিস্ময় নেই।
  • যে পৃথিবীতে জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ ভেঙে গেছে এবং যেখানে মানুষের পদক্ষেপ অর্থহীনতায় যেন উৎসর্গীকৃত সেখানে শৃঙ্খলিত সূরের সম্মোহন কি করে আসে? সেখানে কবিতা বিচিত্র ভঙ্গুর শব্দচূর্ণের উদ্যমহীন সমস্বর।
  • বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা। এ ভাষা আমাদের জাগ্রত চৈতন্যের ভাষা, আমাদের অতীতের ইতিহাসের ভাষা, আমাদের ভবিষ্যতের আনন্দ, অনুজ্ঞা এবং প্রত্যয়ের ভাষা । এ ভাষার বিরুদ্ধে যখন আঘাত এসেছিল তখন সংঘবদ্ধ হয়ে আমরা প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম। আমাদের প্রতিবাদটা ছিল অস্তিত্ব রক্ষার প্রতিবাদ । একটি জাতি তার ভাষাকে হারিয়ে ফেললে সে অস্তিত্বহীন হয় । এই অস্তিত্বহীনতা থেকে মুক্তির জন্য আমরা সংগ্রাম করেছিলাম।
    • নির্বাচিত প্রবন্ধ পৃষ্ঠা -১০

সৈয়দ আলী আহসান সম্পর্কে উক্তি

[সম্পাদনা]
  • তাঁর কবিতা 'আমার পূর্ব-বাংলা' তিনটি আলাদা পর্বে লিখিত একটি কবিতা, যা একসঙ্গে নৈসর্গিক বাংলাদেশের একটি অখণ্ড চিত্র ধরে আছে।