হার্বার্ট এ. সাইমন
অবয়ব

হার্বার্ট আলেকজান্ডার সাইমন (১৫ জুন ১৯১৬ - ৯ ফেব্রুয়ারি ২০০১) একজন মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ছিলেন। তার গবেষণার পরিধি সংজ্ঞানাত্মক মনোবিজ্ঞান, কম্পিউটার বিজ্ঞান, জনপ্রশাসন, অর্থনীতি, ব্যবস্থাপনা, বিজ্ঞানের দর্শন এবং সমাজবিজ্ঞান পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। তিনি মূলত কার্নেগি মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন। এক হাজারেরও বেশি প্রকাশনা ও উচ্চ উদ্ধৃতি হারের কারণে তাকে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী সমাজবিজ্ঞানী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
উক্তি
[সম্পাদনা]১৯৪০-১৯৫০-এর দশক
[সম্পাদনা]- দক্ষতার মানদণ্ড অনুযায়ী এমন বিকল্প বেছে নিতে হয় যা নির্দিষ্ট সম্পদের ব্যবহারে সর্বোচ্চ ফলাফল প্রদান করে।
- সাইমন (১৯৪৫, পৃষ্ঠা ১৭৯)
- মানুষের যুক্তিবোধের যদি কোনো সীমাবদ্ধতা না থাকত, তবে প্রশাসনিক তত্ত্ব নিরর্থক হতো। তখন কেবল একটিই নিয়ম থাকত: উপলব্ধ বিকল্পগুলোর মধ্য থেকে সবসময় সেটিই বেছে নিন যা আপনার লক্ষ্য অর্জনে সবচেয়ে বেশি সহায়ক।
- সাইমন (১৯৪৫, পৃষ্ঠা ২৪০)
- একজন পেশাজীবীর কৌশলগুলোকে সাধারণত 'সংশ্লেষণমূলক' বলা হয়। তিনি পরিচিত নীতি ও যন্ত্রগুলোকে বড় ব্যবস্থায় সাজানোর মাধ্যমে নতুন নকশা তৈরি করেন।
- সাইমন (১৯৪৫, পৃষ্ঠা ৩৫৩)
- প্রশাসনিক তত্ত্বের অধিকাংশ প্রস্তাবনার মধ্যে দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো প্রবাদের মতো ত্রুটি রয়েছে। প্রায় প্রতিটি নীতির জন্যই সমানভাবে গ্রহণযোগ্য একটি বিপরীত নীতি খুঁজে পাওয়া সম্ভব।
- সাইমন, হার্বার্ট এ. "দ্য প্রভ্যার্বস অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন।" পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন রিভিউ ৬.১ (১৯৪৬): ৫৩-৬৭।
- সহজভাবে বললে, আমাদের কাজ হলো অর্থনৈতিক মানুষের সামগ্রিক যৌক্তিকতার ধারণা বদলে এমন এক যৌক্তিক আচরণ গ্রহণ করা যা মানুষের তথ্য পাওয়ার ক্ষমতা এবং চিন্তা করার ক্ষমতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- সাইমন (১৯৫৫) "এ বিহেভিয়ারাল মডেল অব র্যাশনাল চয়েস"
- বড়দিনের ছুটিতে অ্যালেন নেয়েল এবং আমি একটি চিন্তা করতে সক্ষম যন্ত্র তৈরি করেছি।
- সাইমন (১৯৫৬)
- আমি আপনাকে অবাক বা স্তম্ভিত করতে চাই না—তবে আমি সংক্ষেপে বলতে পারি যে বর্তমানে পৃথিবীতে এমন যন্ত্র রয়েছে যারা চিন্তা করতে পারে, শিখতে পারে এবং সৃষ্টি করতে পারে। অদূর ভবিষ্যতে মানুষের মন যেসব সমস্যা সমাধান করতে পারে, এই যন্ত্রগুলোর সক্ষমতাও ঠিক সেই পর্যায়ে পৌঁছে যাবে।
- নেয়েল এবং সাইমন (১৯৫৮)
অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ বিহেভিয়ার, ১৯৪৭
[সম্পাদনা]- প্রশাসনের কোনো অপরিবর্তনীয় 'নীতি' প্রতিষ্ঠার আগে একটি প্রশাসনিক সংস্থা দেখতে কেমন এবং এটি কীভাবে কাজ করে তা আমাদের সঠিকভাবে বর্ণনা করতে হবে।
- পৃষ্ঠা ১৪
- আপনি যে জগতকে অনুভব করেন তা আসলে বাস্তব জগতের একটি অত্যন্ত সরলীকৃত রূপ।
- পৃষ্ঠা ২৬
- অর্থনৈতিক মানুষ যেখানে মুনাফা সর্বোচ্চ করতে সব বিকল্পের মধ্য থেকে সেরাটি বেছে নেয়, সেখানে প্রশাসনিক মানুষ কেবল সন্তোষজনক বা 'যথেষ্ট ভালো' কোনো পদক্ষেপ খোঁজে।
- পৃষ্ঠা ২৯
- অর্থনৈতিক মানুষ বাস্তব জগতকে তার সব জটিলতা সহ মোকাবিলা করে। কিন্তু প্রশাসনিক মানুষ বুঝতে পারে যে সে যে জগতটি দেখছে তা একটি সরলীকৃত রূপ। সে মাত্র কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
- পৃষ্ঠা ২৯
- একটি বিজ্ঞান তার নীতিগুলো তৈরি করার আগে অবশ্যই কিছু ধারণা বা কনসেপ্ট তৈরি করে। মহাকর্ষ সূত্র তৈরি করার আগে 'ত্বরণ' এবং 'ওজন' সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রয়োজন ছিল।
- পৃষ্ঠা ৪৩
- যৌক্তিকতা মূলত কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনের জন্য উপযুক্ত মাধ্যম বেছে নেওয়ার সাথে সম্পর্কিত।
- পৃষ্ঠা ৬২
- একজন একাকী মানুষের পক্ষে উচ্চমাত্রার যৌক্তিকতা অর্জন করা অসম্ভব। তাকে এত বেশি বিকল্প এবং তথ্য বিশ্লেষণ করতে হয় যে বস্তুনিষ্ঠ যৌক্তিকতা কল্পনা করাও কঠিন।
- পৃষ্ঠা ৭৯
- আচরণগত বিকল্পগুলো বেছে নেওয়ার সময় কিছু মূল্যবোধের ভিত্তিতে যৌক্তিকতা কাজ করে, যার মাধ্যমে আচরণের ফলাফল মূল্যায়ন করা যায়।
- পৃষ্ঠা ৮৪
- ব্যক্তিমানুষের আচরণ হলো একটি হাতিয়ার যার মাধ্যমে সংগঠন তার লক্ষ্য অর্জন করে।
- পৃষ্ঠা ১০৮
- বেঁচে থাকার জন্য একটি সংগঠনের এমন লক্ষ্য থাকতে হবে যা তার গ্রাহকদের আকর্ষণ করে। তাই সংগঠনের লক্ষ্যগুলো গ্রাহকদের পরিবর্তনশীল মূল্যবোধের সাথে তাল মিলিয়ে প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হয়।
- পৃষ্ঠা ১১৪
- আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার উন্নত কলাকৌশল এবং অভিজ্ঞদের সহজাত দক্ষতা বোঝার মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ মতামতের মান বাড়াতে পারি। আমরা নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের কী কী জানা প্রয়োজন তা চিহ্নিত করতে পারি এবং সেই অনুযায়ী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে পারি।
- পৃষ্ঠা ১৩৭
- সীমিত যৌক্তিকতার নীতি হলো মানুষের মন জটিল সমস্যা তৈরি বা সমাধানের ক্ষেত্রে বাস্তব জগতের তুলনায় অত্যন্ত ক্ষুদ্র।
- পৃষ্ঠা ১৯৮
- সংগঠনের কাজ হলো বিভিন্ন ব্যক্তির কাজের মধ্যে সমন্বয় করা। সংগঠনের তত্ত্বগুলো বর্ণনা করে কীভাবে দ্বন্দ্বকে সহযোগিতায় রূপান্তর করা যায় এবং সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়।
- পৃষ্ঠা ২৫২
- সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার লক্ষ্য হলো এমন পদক্ষেপ খুঁজে বের করা যা একাধিক লক্ষ্য ও সীমাবদ্ধতার প্রেক্ষিতে কার্যকর বা সন্তোষজনক।
- পৃষ্ঠা ২৭৪
পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, ১৯৫০
[সম্পাদনা]- জনপ্রশাসন বলতে সাধারণত জাতীয়, রাজ্য এবং স্থানীয় সরকারের নির্বাহী শাখাগুলোর কার্যক্রমকে বোঝায়। এছাড়া সংসদ বা বিধানসভা কর্তৃক গঠিত স্বাধীন বোর্ড, কমিশন এবং সরকারি কর্পোরেশনগুলোও এর অন্তর্ভুক্ত।
- পৃষ্ঠা ৭
মডেলস অব ম্যান, ১৯৫৭
[সম্পাদনা]- বাস্তব জগতে বস্তুনিষ্ঠ যৌক্তিক আচরণের জন্য যে ধরনের সমস্যার সমাধান প্রয়োজন, সেই তুলনায় মানুষের মনের জটিল সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা অত্যন্ত সীমিত।
- পৃষ্ঠা ১৯৮
- সীমিত যৌক্তিকতার নীতির প্রথম ফলাফল হলো, একজন ব্যক্তিকে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য একটি সরলীকৃত মডেল তৈরি করতে হয়। তিনি সেই মডেল অনুযায়ী যৌক্তিকভাবে কাজ করেন, কিন্তু বাস্তব জগতের প্রেক্ষিতে সেই আচরণ সবসময় সেরা নাও হতে পারে।
- পৃষ্ঠা ১৯৮
১৯৬০-১৯৭০-এর দশক
[সম্পাদনা]- তথ্যসমৃদ্ধ বিশ্বে তথ্যের প্রাচুর্য মানে অন্য কোনো কিছুর অভাব। তথ্য আসলে আমাদের মনোযোগ ভোগ করে। ফলে তথ্যের প্রাচুর্য মনোযোগের দারিদ্র্য সৃষ্টি করে এবং সেই সীমিত মনোযোগকে তথ্যের পাহাড়ের মধ্যে সঠিকভাবে বণ্টন করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
- সাইমন, এইচ. এ. (১৯৭১) "ডিজাইনিং অর্গানাইজেশনস ফর এন ইনফরমেশন-রিচ ওয়ার্ল্ড"
দ্য সায়েন্সেস অব দি আর্টিফিশিয়াল, ১৯৬৯
[সম্পাদনা]- আচরণগত ব্যবস্থার দিক থেকে বিচার করলে মানুষ আসলে বেশ সরল। সময়ের সাথে সাথে আমাদের আচরণের যে জটিলতা দেখা যায়, তা মূলত আমাদের চারপাশের পরিবেশের জটিলতার প্রতিফলন।
- পৃষ্ঠা ৫৩
- বর্তমান পরিস্থিতিকে একটি কাঙ্ক্ষিত বা উন্নত পরিস্থিতিতে রূপান্তর করার জন্য যারা বিভিন্ন পদক্ষেপ পরিকল্পনা করেন, তারা সবাই ডিজাইনার বা নকশাকার।
- পৃষ্ঠা ১৩০
"র্যাশনাল ডিসিশন মেকিং ইন বিজনেস অর্গানাইজেশনস", নোবেল ভাষণ ১৯৭৮
[সম্পাদনা]- সিদ্ধান্ত গ্রহণের তত্ত্ব কেবল রাজনৈতিক অর্থনীতির ভিত্তি গড়ার জন্যই নয়, বরং ব্যবসা এবং সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের সরাসরি পরামর্শ দেওয়ার জন্যও ব্যবহার করা যেতে পারে।
- পৃষ্ঠা ৪৯৩
- সীমিত যৌক্তিকতা মূলত তখনই দেখা দেয় যখন আমরা সবকিছু জানতে পারি না। সব বিকল্প সম্পর্কে না জানা, ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অনিশ্চয়তা এবং ফলাফল গণনা করতে না পারার কারণেই যৌক্তিকতা সীমিত হয়।
- পৃষ্ঠা ৫০২
১৯৮০-এর দশক এবং পরবর্তী সময়
[সম্পাদনা]- আমাদের অর্থনৈতিক প্রক্রিয়ার একটি বাস্তবসম্মত চিত্র পেতে ধ্রুপদী এবং নব্য-ধ্রুপদী অর্থনৈতিক তত্ত্বগুলোকে সংশোধন করা প্রয়োজন।
- হার্বার্ট এ. সাইমন (১৯৮৬)
- যদি আমরা মানি যে সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীর জ্ঞান এবং গণনা করার ক্ষমতা অত্যন্ত সীমিত, তবে আমাদের বাস্তব জগত এবং ব্যক্তির উপলব্ধি বা চিন্তার মধ্যে পার্থক্য করতে হবে। অর্থাৎ, আমাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে একটি তত্ত্ব তৈরি করতে হবে।
- সাইমন (১৯৮৬)
- আধুনিক মূলধারার অর্থনৈতিক তত্ত্ব মনে করে মানুষ তাদের উপযোগিতা বা স্বার্থ সর্বোচ্চ করার জন্য সিদ্ধান্ত নেয়। এই ধারণার ফলে অর্থনীতি মানুষের আচরণ সম্পর্কে অনেক ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারে, যদিও এর জন্য মানুষের ওপর বাস্তব গবেষণার প্রয়োজন হয় না।
- সাইমন (১৯৯০)
- সামগ্রিক যৌক্তিকতা বা নব্য-ধ্রুপদী তত্ত্বের যৌক্তিকতা ধরে নেয় যে সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীর কাছে সব বিকল্পের তথ্য থাকে এবং তিনি সেরাটি বেছে নেন। অন্যদিকে সীমিত যৌক্তিকতা বা বাস্তবসম্মত যৌক্তিকতা মনে করে মানুষকে বিকল্পগুলো খুঁজে বের করতে হয় এবং তিনি কেবল সন্তোষজনক পদক্ষেপগুলো বেছে নেন।
- সাইমন (১৯৯৭, পৃষ্ঠা ১৭)
- আমরা যদি কেউ কীভাবে বিলিয়ার্ড খেলে তার একটি তত্ত্ব চাই, তবে আমাদের নিখুঁত বিলিয়ার্ড বলের তত্ত্ব দরকার নেই। আমাদের দরকার একজন খেলোয়াড় শট নেওয়ার জন্য কী ধরনের কৌশল বা বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করেন তা জানা।
- এন এম্পিরিকালি বেসড মাইক্রোইকোনমিকস (১৯৯৭), পৃষ্ঠা ১৭৩
"হোয়াই এ ডায়াগ্রাম ইজ (সামটাইমস) ওয়ার্থ টেন থাউজেন্ড ওয়ার্ডস," (১৯৮৭)
[সম্পাদনা]- তথ্যের চিত্রভিত্তিক উপস্থাপনা এবং বর্ণনামূলক উপস্থাপনা ভিন্ন ভিন্নভাবে কাজ করে। চিত্রভিত্তিক উপস্থাপনা অনেক সময় এমন তথ্য প্রকাশ করে যা বর্ণনামূলক লেখায় সরাসরি থাকে না এবং যা বের করতে অনেক সময় ও শ্রম প্রয়োজন হয়।
- পৃষ্ঠা ৬৫
মডেলস অব মাই লাইফ, ১৯৯১
[সম্পাদনা]- ডারউইনের প্রাকৃতিক নির্বাচনও কেবল এটিই বলে যে যারা টিকে থাকে তারা যোগ্য, অর্থাৎ তারা অন্যদের চেয়ে বেশি যোগ্য। এটিও সেরা ফলাফল নয় বরং সন্তোষজনক ফলাফল নিশ্চিত করার কথাই বলে।
- পৃষ্ঠা ১৬৬
- সত্যিকারের পার্থক্য "কঠিন" প্রাকৃতিক বিজ্ঞান এবং "নরম" সমাজবিজ্ঞানের মধ্যে নয়। বরং পার্থক্য হলো ল্যাবরেটরির কৃত্রিম ও সরল পরিবেশের বিজ্ঞান এবং বাস্তব জগতের জটিল সমস্যা মোকাবিলার বিজ্ঞানের মধ্যে।
- পৃষ্ঠা ৩০২
- যেহেতু আমার জগতের ধারণা বাস্তবতাকে খুব সামান্যই স্পর্শ করে, তাই আমি সবকিছু সেরা করার আশা করতে পারি না। বড়জোর আমি সন্তোষজনক কিছু করার চেষ্টা করতে পারি। সেরার সন্ধান করতে গিয়ে অনেক সময় ভালোকে হারিয়ে ফেলতে হয়।
- পৃষ্ঠা ৩৬১
হার্বার্ট এ. সাইমন সম্পর্কে উক্তি
[সম্পাদনা]- গত পনেরো বছরের গবেষণা হার্বার্ট সাইমনের এই ধারণাকেই সমর্থন করে যে মানুষের চিন্তার সীমাবদ্ধতাই একটি সংগঠনের কাঠামো নির্ধারণের প্রধান কারণ।
- জে আর গ্যালব্রাইথ (১৯৭৭)
- হার্বার্ট এ. সাইমনের বৈজ্ঞানিক কাজ রাষ্ট্রবিজ্ঞান, প্রশাসন, মনোবিজ্ঞান এবং তথ্য বিজ্ঞানের সীমানা ছাড়িয়ে গেছে। তিনি গণিত, পরিসংখ্যান, অর্থনীতি এবং ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
- নোবেল পুরস্কারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা, রয়্যাল একাডেমি অব সায়েন্সেস, সুইডেন (১৯৭৮)
- অধিকাংশ অর্থনীতিবিদ হার্বার্ট সাইমন সম্পর্কে কেবল এতটুকুই জানেন যে তিনি সীমিত যৌক্তিকতা এবং সাংগঠনিক আচরণ সম্পর্কে লিখেছেন।
- মাই অগিয়ার, জেমস জি. মার্চ (২০০৪)
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]উইকিপিডিয়ায় হার্বার্ট এ. সাইমন সম্পর্কিত একটি নিবন্ধ রয়েছে।
বিষয়শ্রেণীসমূহ:
- মৃত্যু ২০০১
- যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক তাত্ত্বিক
- সংজ্ঞানাত্মক বিজ্ঞানী
- যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী
- যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিবিদ
- সিস্টেম বিজ্ঞানী
- অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী
- উইসকনসিনের ব্যক্তি
- মিলওয়াকির ব্যক্তি
- টুরিং পুরস্কার বিজয়ী
- যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী
- ন্যাশনাল মেডেল অফ সায়েন্স বিজয়ী
- শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- কার্নেগি মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক