২০২৬ সালের দিল্লি যন্তর মন্তর বিক্ষোভ
২০২৬ সালের ৬ জুন থেকে অভিজিৎ দীপক প্রতিষ্ঠিত ভারতের যুবভিত্তিক ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক আন্দোলন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) স্টুডেন্টস ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া, অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস ফেডারেশনসহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে ধারাবাহিক প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে আসছে। বিক্ষোভকারীরা ২০২৬ সালের জাতীয় যোগ্যতা ও প্রবেশিকা পরীক্ষা প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পর্দাভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতিতে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানান। একই সঙ্গে তাঁরা সরকারি পরীক্ষার পরিচালনাব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কারেরও দাবি তোলেন। ২৮ জুন আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুক প্রতিবাদস্থলে অনির্দিষ্টকালের অনশন শুরু করলে আন্দোলনটি জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করে।
স্লোগান
[সম্পাদনা]হাসিনা পোষা মোদি, ছাড়তে হবে গদি। হাসিনা গেছে যেই পথে, মোদি যাবে সেই পথে।
- সাবকো শিকশা দে না সাকি তো ও সরকার কি কাম্মি হে, সাবকো কাম দে না সাকি তো, ও সরকার কি কম্মি হে, জো সরকার কি কম্মি হে, ও সরকার বদলনি হে, মোদি সরকার কি কম্মি হে, মোদি সরকার বাদালনি হে।
- ভারত মাতা কি জয়’,
- ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’,
- ‘জয় ভীম’,
- ‘ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তিফা দো’।
উক্তি
[সম্পাদনা]- এই লোকেরা প্রতিবাদকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে আমাদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক ন্যারেটিভ তৈরি করতে চায়। বিক্ষোভ চলাকালীন “নেতিবাচক স্লোগান” পরিহার করতে হবে, কারণ “তারা নিজেদের বয়ান তৈরির সুযোগ খুঁজছে”। চারটি নির্দিষ্ট স্লোগান ব্যবহার করতে হবে, যেগুলো ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে: ‘ভারত মাতা কি জয়’, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’, ‘জয় ভীম’, এবং ‘ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তিফা দো’।
- আশুতোষ রানকা, ২২ জুলাই ২০২৬ দ্য প্রিন্টে উদ্ধৃত।
- আরে ইয়ে কেয়া জানে বাচ্চো কে বারেমে, আগার প্যায়দা কারতে তো মালুম হোতা।
- রেণুকা চৌধুরী, সাংসদ, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস।
- প্রশ্নফাঁস কোনো সাধারণ বিষয় নয়। লাখো শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জন্য এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তাই গত আড়াই মাসে সরকার একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে।’
- নরেন্দ্র মোদি, রাত ১২ টা, ২২ (২৩) জুলাই ২০২৬ যেমনটা যুগান্তরে উদ্ধৃত হয়েছে।
- আমি সোনমজিকে অনুরোধ করছি, তিনি যেন চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চলেন এবং যত দ্রুত সম্ভব আগের শারীরিক ওজন ফিরে পান। সর্বশক্তিমানের কাছে তার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।’
- নরেন্দ্র মোদি, ২৩ জুলাই ২০২৬ যেমনটা যুগান্তরে উদ্ধৃত হয়েছে
- তেলাপোকাদের মিছিলে হাজার হাজার মানুষকে দেখে আমি ভাবছিলাম: ভাগ্যিস তাঁরা বেশির ভাগই মুসলিম, শিখ, খ্রিষ্টান বা আদিবাসী নয়! তা না হলে এতক্ষণে তাঁদের গুলি করে মেরে ফেলা হতো বা জেলে পোরা হতো। তাঁরা কাশ্মীরি নয় বলেও ভালো হয়েছে, তা না হলে অন্ধ করে দেওয়া হতো। তাঁরা বেশির ভাগই হিন্দু—এটাই হয়তো রক্ষা। ভারতের বর্তমান অবস্থা কতটা দুঃখজনক, এটা তারই প্রমাণ।
- অরুন্ধতী রায়, ২৩ জুলাই ২০২৬ যেমনটা প্রথম আলোতে উদ্ধৃত হয়েছে