মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন
অবয়ব

মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (জন্ম: ১০ ডিসেম্বর ১৯৪৯) হলেন বাংলাদেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতি। বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি ২৪ এপ্রিল ২০২৩ তারিখ থেকে দায়িত্বাধীন আছেন। রাষ্ট্রপতি হওয়ার পূর্বে তিনি জেলা ও দায়রা জজ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার ছিলেন।
উক্তি
[সম্পাদনা]- জয় বাংলা।[১]
- বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।[২]
- সবাই জানে কে খাম্বা বিক্রি করেছিল।[৩]
- আমি মনে করি, তারেক রহমানের সুযোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্বের যোগ্যতা রয়েছে। [৪]
- জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে দেশ এগিয়ে যাবে।[৫]
- শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের রাজত্ব কায়েম করেছিল।[৬]
- খালেদা জিয়া আপোসহীন নেত্রী ছিলেন।[৭]
- ইউনূস আমাকে ঈদের জামাতেও অংশ নিতে দিতেন না।[৮]
- নাইস এ্যান্ড এ্যাট্রাক্টিভ (সুন্দর ও আকর্ষনীয়)।
- নবনীতা চৌধুরীর ফেসবুকের ওয়ালে পোস্ট করা তার একটি ছবির কমেন্টে [৯]
- শুধু নিজের এবং পরিবারের জন্য ভালো কিছু করার কথা ভাববেন না। সবার জন্য ভালো কিছু করার চিন্তা করতে হবে।
- বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী নেতাদের উদ্দেশে বলেন, সবার জন্য ভালো কিছু করুন—বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী নেতাদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ০৪ মে ২০২৩
- জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সমাজ গড়তে হবে।
- পাবনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। উদ্ধৃত :জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী বাংলাদেশ গড়তে হবে: রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ইউএনবি নিউজ,
- বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা, দক্ষতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিতের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার। আদালতের হস্তক্ষেপগুলি যেন সাংবিধানিকতার নীতি, ক্ষমতা ভারসাম্য এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে পরিচালিত হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। ক্ষমতার সঙ্গে দায়িত্ব ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দায়িত্ব পালনের জন্য ক্ষমতা প্রয়োগ করতে হবে। আবার ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে এবং ক্ষমতার যাতে অপব্যবহার না হয় সেদিকে কঠোরভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
- বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ইনার কোর্ট ইয়ার্ডে ‘একবিংশ শতাব্দীতে দক্ষিণ এশিয়ার সাংবিধানিক আদালত: বাংলাদেশ ও ভারত থেকে শিক্ষা’ শীর্ষক কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন,আরটিভি নিউজ, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।
- রাজনীতির মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যই হচ্ছে জনকল্যাণ। সরকার ও রাজনীতিবিদদের সব সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রেই জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে।
- ঢাকা ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে কমিউনিটি ক্লিনিকের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে। এই সাক্ষাৎকারে বলেছেন।
সম্পর্কিত উক্তি
[সম্পাদনা]- "এই ব্যাটা তোর বঙ্গবল্টু কোথায়?"
- শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর ১৯৭৫ সালের ২০ আগস্ট তাকে শেখ মুজিব হত্যার প্রতিবাদের কারণে গ্রেফতার করে জেলখানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মেজর আ ল ম ফজলুর রহমান তাকে শারীরিক নির্যাতন করতে থাকা অবস্থায় তিরস্কারস্বরূপ বঙ্গবন্ধু শব্দটিকে বিকৃত করে বঙ্গবল্টু হিসেবে ব্যবহার করে বলেন [১০]
- ও না, আমাকে খেলায় নেয় নি!
- ওপুজ কার্টুন, কালের কন্ঠে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মুহাম্মাদ ইউনূস কর্তৃক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে বর্জিত ও অবরুদ্ধ থাকা প্রসঙ্গে করা মন্তব্য নিয়ে আকা রম্য কার্টুন, যেখানে শাহাবুদ্দিন ইউনুসের দিকে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে শিশুদের মত ক্রন্দনরত অবস্থায় এ কথা বলছেন, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ [১১]
- আপা, আপনি কই!
- ওপুজ কার্টুন, শহীদ মিনারে তারেক রহমান ও শফিকুর রহমানের মাঝে মধ্যরাতে ফুল দেওয়ার সময় শেখ হাসিনাকে আড়ালে ফোন করার দৃশ্য নিয়ে আঁকা কাল্পনিক কার্টুন, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ [১২]
- জগতের ইতিহাসে কোন রাষ্ট্রপতি এর আগে এত বিপদে পড়সে বইলা আমার মনে হয় না। একদিকে জয় বাংলা, অপরদিকে বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলতে হয়।
- শিশির মনির, ৮ মার্চ ২০২৬[১৩]
- বিএনপি বলেছে, রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে তারা বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলিয়েছে, মাননীয় স্পিকার, গাধাকে দিয়ে হালচাষ করিয়ে কোনো বাহাদুরি নেই। যেই রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিরোধিতা করেছিলো, সেই রাষ্ট্রপতি এখন জিয়াউর রহমানের প্রশংসা করে। ‘এই রাষ্ট্রপতির বঙ্গভবনে থাকার বা সংসদে বক্তব্য দেওয়ার কোনো নৈতিক অধিকার নেই।’ ‘রাষ্ট্রপতির বক্তব্য আমি শুনিও নাই, পড়িও নাই। সেই বক্তব্য এবং বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়াকে আমরা প্রত্যাখ্যান জানিয়েছিলাম। আমরা খুব স্পষ্টভাবে বলেছিলাম যে, এই রাষ্ট্রপতির অপসারণ প্রয়োজন। তাঁকে গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন। এই রাষ্ট্রপতির আর কোনো অধিকার নেই বঙ্গভবনে থাকার, এখানে এসে বক্তব্য দেওয়ার।‘প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দিন চুপ্পু, তাঁর কিছু কুকীর্তির কথা হাউজের সামনে তুলে ধরছি। তিনি দুদকের কমিশনার ছিলেন। তাকে দুদকের কমিশনার করা হয়েছিল তিনটি অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে। এক নম্বর হচ্ছে, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের শাস্তি নিশ্চিত করা। দুই নম্বর, পদ্মা সেতুর দুর্নীতির অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগকে ক্লিনচিট দেওয়া এবং তিন নম্বর ফখরুদ্দিন-মঈনউদ্দিন সরকারের সময় শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে হওয়া দুর্নীতির মামলাগুলোকে বাতিল করে দেওয়া। এমন একজন ব্যক্তিকে বিএনপি সরকার রাষ্ট্রপতি হিসেবে এখনও মেনে নিচ্ছে।’ ২০০৯ সালে শেখ হাসিনার ‘ক্যাঙ্গারু আদালতের’ নির্দেশে এই সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর নেতৃত্বে তিন সদস্যের জুডিশিয়াল ইনকোয়ারি কমিশন অন মাইনরিটি টর্চার ইন ২০০১ হয়েছিল। এই প্রতিবেদন অনুসারে, ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার পর কয়েক হাজার হিন্দুকে হত্যার জন্য বিএনপির ২৬ হাজার নেতাকর্মীকে দায়ী করা হয়েছিল। আওয়ামী লীগ এই রিপোর্ট দেশে-বিদেশে ফেরি করে নিজেদের ক্ষমতায় থাকাকে পাকাপোক্ত করেছিল। এই রাষ্ট্রপতি ইসলামী ব্যাংকের দুই কোটি আমানতকারীকে পথে বসিয়েছেন। জুলাই গণহত্যার সময় তাঁর ভূমিকা, ফ্যাসিবাদের সাথে তাঁর সংশ্লিষ্টতা সবকিছু আমরা জানি। আমাদের দুর্ভাগ্য, এই দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ, মিথ্যুক, গণহত্যার দোসর এখনও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি। প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দিন চুপ্পু দুদকের কমিশনার থাকাকালীন ফরমায়েশি রায় দিয়েছেন। তিনি ইসলামী ব্যাংক লুণ্ঠনের কারিগর এবং জুলাই গণহত্যার দোসর। এই রাষ্ট্রপতিকে আমরা প্রত্যাখ্যান করছি। ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ছাত্ররা রাষ্ট্রপতির অপসারণ চেয়েছিল। কিন্তু বিএনপি তখন সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার দোহাই দিয়ে তাঁর পক্ষে দাঁড়িয়েছিল। এখন তো নির্বাচিত সরকার, এখন কেন তাঁকে পরিবর্তন করা হচ্ছে না?’
- নাহিদ ইসলাম, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৩তম জাতীয় সংসদ অধিবেশন
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]উইকিপিডিয়ায় মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন সম্পর্কিত একটি নিবন্ধ রয়েছে।