বিষয়বস্তুতে চলুন

হাতপাখা

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে
একটি হাতপাখা

হাতপাখা হচ্ছে গরমে বিশেষত গ্রীষ্মকালে প্রশান্তির জন্য ব্যবহৃত হাতে চালিত পাখা। এটি বাংলাসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের একটি অংশ।

উক্তি[সম্পাদনা]

  • হাত পাখার কদর,
    বিদ্যুৎ না থাকলে বোঝা যায় তার দাম।
    শরীর থেকে ঝরঝরিয়ে পড়ে শুধু ঘাম।
    • হাত পাখা, মো: রিদওয়ানুল ইসলাম রিফাত[১]
  • আমি হাতপাখা নিয়ে কাউকে আমার পাশে বসে থাকতে বলছি না,
    আমি জানি, এই ইলেকট্রিকের যুগ
    নারীকে মুক্তি দিয়েছে স্বামী -সেবার দায় থেকে।
  • কোথা বিদ্যুৎ কোথায় বা ছিল এই প্রযুক্তি বল! সেদিন তখন হাতপাখা ছিল গ্রীষ্মের সম্বল।
    হাতপাখা আজ ব্রাত্য হয়েছে কালের কবলে পড়ে, কুটির শিল্প পড়েছে বিপাকে শিল্পী না খেয়ে মরে।
    • হাতপাখা, সাবিত্রী দাস [৩]
  • তোমার হাত পাখার বাতাসে প্রাণ জুরিয়ে আসে
    কিছু সময় আরও তুমি থাকো আমার পাশে
    থাকো আমার পাশে।
    • তোমার হাত পাখার বাতাসে, আকবর [৪]
  • আমাদের দেশে হাত-পাখার জন্ম নাকি খুব বেশি দিনের নয়। ইতিহাস বলে, পাখা নামক বস্তুটির প্রথম আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল অষ্টাদশ শতকের গোড়ার দিকে ইউরোপে। সেখানে প্রথমদিকে হাতপাখা তৈরী করা হত চামড়া দিয়ে। আমাদের দেশে কিন্তু মনে করা হয় এই বস্তুটির আবির্ভাব ঘটেছে সম্ভবতঃ চীন বা জাপান দেশ থেকে।
    • খেরোর খাতা, সজল কান্তি দত্ত রায়, পৃষ্ঠা ৬৮ [৫]
  • আমাদের ঘুমের সময়
    মায়ের হাতের পাখা গান তুলে ছড়াতো বাতাস
    গল্প শুনে শুনে কখন যে ঘুম নিয়ে যেত
    ব্যাঙ্গমা ব্যাঙ্গমিদের দেশে,
    জলপরি এসে ডানায় বসিয়ে
    দূরের পাহাড়ে।
    • নষ্ট কবিতার কবরখানায়, পঙ্কজ মন্ডল
  • গ্রীষ্মকালে পাখার খুব প্রয়োজন। গ্রামগঞ্জে তো আর বিদ্যুৎচালিত পাখা ছিল না! আর সেই শিল্পকর্ম তো গ্রামের বউ-ঝিরাই করত। তারা বিভিন্ন ধরণের হাতপাখা তৈরি করত। আমরা সংসারে যেমন অতিথি- সৎকারের জন্য আলাদা বাসনপত্র, শয্যা-সামগ্রী আলাদা করে রাখি তেমনি এই পাখা তৈরিতেও রকমফের ছিল। আমাদের দেশে নদী বা বড খালের চড়ায়, ছোট নদীর চড়ায় এক ধরণের উদ্ভিদ জন্মায়, তাকে হোগলা-বেতি বলে। এছাড়াও হোগলা- বেতির একটু সরু ও মসৃণ বেতি হয়, তাকে বলে এলি-বেতি। বাঁশের একটি খণ্ড মাপ মতো কেটে চেঁছে সরু করে ফ্রেম তৈরি করে তার মধ্যে কাপড় দিয়ে সুন্দর করে নকশা করে সবসময় ব্যবহারের জন্য হাতপাখা বানানো হত।
    • ছোটোমনুর উপাখ্যান, অলকানন্দা রায়, পৃষ্ঠা ১৭২
  • আমি একটু চঞ্চল স্নিগ্ধতা নিয়ে আসি ঝিঙে লতার আড়ালে উষ্ণতার ডাকে আমি আবার আমাকে ফিরাতে চাই তোমার হাত পাখার মতো করে।
    • তোমার হাতপাখা, রাফায়েতুল ইসলাম রুপম[৬]
  • আমার কাটা দেহ দিয়ে করল সুন্দর পাখা
    পাখা হাতে করতে বাতাস নিয়ে গেল ঢাকা।
    • হাতপাখা, মোহাম্মদ ইরফান [৭]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

নির্মলেন্দু গুণ

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]