বিষয়বস্তুতে চলুন

অক্ষয়কুমার দত্ত

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে
মিত্রের দোষে চিরজীবন দুঃখ পাইবার সম্ভাবনা এবং মিত্রের গুণে চিরজীবন সুখী হইবার সম্ভাবনা।
—অক্ষয়কুমার দত্ত

অক্ষয়কুমার দত্ত (১৫ জুলাই ১৮২০ - ১৮ মে ১৮৮৬) ছিলেন একজন বাঙালি প্রবন্ধকার, সাংবাদিক এবং লেখক। তিনি ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক ও আদি ব্রাহ্মসমাজের প্রধান কর্মীপুরুষ। সংবাদপত্রে লেখালেখির মাধ্যমে তিনি সাহিত্যকর্ম শুরু করেন। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত সংবাদ প্রভাকর পত্রিকায় তিনি নিয়মিত লিখতেন। ১৮৫৪ সালে প্রকাশিত বাষ্পীয় রথারোহীদিগের প্রতি উপদেশ বইটি ছিল রেলওয়ে সম্পর্কে বাঙালি লেখক কর্তৃক রচিত প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ। তার উল্লেখযোগ্য রচনাগুলি হলো: ভূগোল,বাহ্যবস্তুর সহিত মানব প্রকৃতির সম্বন্ধ বিচার (১ম ভাগ), বাহ্যবস্তুর সহিত মানব প্রকৃতির সম্বন্ধ বিচার (২য় ভাগ), বাষ্পীয় রথারোহীদিগের প্রতি উপদেশ, চারুপাঠ (১ম ভাগ), চারুপাঠ (২য় ভাগ), চারুপাঠ (৩য় খণ্ড), ধর্মনীতি, পদার্থবিদ্যা, ভারতবর্ষীয় উপাসক সম্প্রদায় (১ম ভাগ), ভারতবর্ষীয় উপাসক সম্প্রদায় (২য় ভাগ) প্রভৃতি।

উক্তি[সম্পাদনা]

  • মিত্রের দোষে চিরজীবন দুঃখ পাইবার সম্ভাবনা এবং মিত্রের গুণে চিরজীবন সুখী হইবার সম্ভাবনা। যে দুষ্কর্ম্মশালী দুঃশীল ব্যক্তির সহিত কিছুদিন মিত্রতা থাকিয়া বিচ্ছেদ হইয়া যায়, তাহারও সেই অল্প কালের সংসর্গ দোষে আমাদের চরিত্র এমন দূষিত হইতে পারে যে, জন্মের মত দোষী থাকিয়া, অশেষবিধ ক্লেশ ভোগ করিয়া কালহরণ করিতে হয়।
    • মিত্রতা, অক্ষয়-সুধা, অক্ষয় কুমার দত্ত মহাশয়ের রচনা-সংগ্রহ, প্রথম সংস্করণ, সম্পাদনা- শিবরতন মিত্র, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪
  • বিদ্যা অমূল্য ধন। বিদ্যা শিখিলে হিতাহিত বিবেচনা করিয়া আপনার ও অন্যের দুঃখ-হ্রাস ও সুখ-বৃদ্ধি করিতে পারা যায়। কি ইতর, কি ভদ্র, কি ধনী, কি নির্ধন, কি বালক, কি বৃদ্ধ, সকলেরই বিদ্যানুশীলন করা কর্ত্তব্য।
    • বিদ্যাশিক্ষা, চারুপাঠ (প্রথম ভাগ)- অক্ষয়কুমার দত্ত, প্রকাশক- প্রবোধচন্দ্র মজুমদার এণ্ড ব্রাদার্স, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১
  • বাষ্পীয় রথ পরমাদ্ভুত বস্তু। উহা দ্বারা এক মাসের পথ এক দিবসে ভ্রমণ করিয়া অক্লেশে অশেষ বিষয়ের বাসনা সুসিদ্ধ করা যায়।
    • বাষ্পীয় রথারোহীদিগের প্রতি উপদেশ - অক্ষয়কুমার দত্ত, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫৪ খ্রিস্টাব্দ (১২৬১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২

অক্ষয়কুমার দত্ত সম্পর্কে উক্তি[সম্পাদনা]

  • বাঙ্গালীর ছেলেদের মধ্যে ইংরাজী ভাব প্রবেশ করান, সর্ব্বপ্রথম অক্ষয়কুমার দত্ত দ্বারা সাধিত হয়। সে সময়ের একজন বড় অধ্যাপক Rev. John Anderson সাহেব বলিয়াছেন Akhoykumar is Indianising European Science।
    • হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, অক্ষয়-সুধা, অক্ষয় কুমার দত্ত মহাশয়ের রচনা-সংগ্রহ, প্রথম সংস্করণ, সম্পাদনা- শিবরতন মিত্র, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৸৴৹

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

উইকিসংকলন
উইকিসংকলন
উইকিসংকলনে এই লেখক রচিত অথবা লেখক সম্পর্কিত রচনা রয়েছে: