দুঃখ

উইকিউক্তি থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন

দুঃখ হল প্রতিকূলতা, ক্ষতি, নিরাশা, শোক, অসহায়তা, হতাশা প্রভৃতি বিভিন্ন অনুভূতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা মানসিক যন্ত্রণার এক বিমূর্ত প্রকাশ। দুঃখে মানুষ চুপচাপ কিংবা অবসন্ন হয়ে পড়ে এবং অন্যের থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে নেয়। হতাশা, যার কারণ হিসেবে গুরুতর অবসাদজনিত ব্যাধি বা পারসিসটেন্ট ডিপ্রেসিভ ডিজঅর্ডারকে দায়ী করা হয়, তা আসলে দুঃখেরই অন্যতম চরম একটি রূপ। কান্নার মাধ্যমে দুঃখের ইঙ্গিত পাওয়া যেতে পারে।

উক্তি[সম্পাদনা]

  • যখন আমি দুঃখিত থাকি, তখন আমি নিজেকে এতটাই বিশ্রী মনে করি যে এটি আমাকে হাসায়; যখন আমি প্রফুল্ল থাকি, তখন আমি এমন মূর্খতাপূর্ণ রসিকতা করি যে আমি কাঁদতে চাই।
    • আন্দ্রে গাইড, দ্য কাউন্টারফেইটার্সে আরমান্ড, ডি. বুসি ট্রান্স. পৃ. ৩৭২
  • মনে করুন, একজন যুবক কতবারই এমন একজনের কাছ থেকে ভালোবাসা কামনা করে যে তাকে তা দিতে পারে না, যাকে দেওয়ার মতো নেই! এই ধরনের আকাঙ্ক্ষা থেকে প্রায়ই প্রচুর দুঃখ, ঈর্ষা এবং অন্যান্য অনেক খারাপ অনুভূতি আসে। আপনি বলবেন যে এমন ইচ্ছা স্বাভাবিক; নিঃসন্দেহে এটি স্বাভাবিক। আর ভালোবাসা যা ফিরিয়ে দেওয়া হয় তা সুখের একটি দুর্দান্ত উৎস। তবুও যদি এটি ফিরিয়ে দেওয়া না যায়, তবে একজন ব্যক্তির উচিত পরিস্থিতিকে মেনে নেওয়ার শক্তি থাকা উচিত এবং অতৃপ্ত আকাঙ্ক্ষার কারণে দুঃখ হতে দেওয়া উচিত নয়।
    • সি.ডব্লিউ. লিডবিটার, দ্য মাস্টার্স অ্যান্ড দ্য পাথ, (১৯২৫)
  • আমি ভয় করি যে তিনি যখন বৃদ্ধ হবেন তখন তিনি ক্রন্দনরত দার্শনিক প্রমাণ করবেন, যৌবন এতটাই অমানবিক দুঃখে পরিপূর্ণ।
    • শেক্সপিয়র, পোর্শিয়া তার একজন অভিযোক্তার ব্যাপারে বর্ণনা করছেন, দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস, অ্যাক্ট ১, দৃশ্য ২।
  • কপালে সুখ লেখা না থাকলে সে কপাল পাথরে ঠুকেও লাভ নেই। এতে কপাল যথেষ্টই ফোলে, কিন্তু ভাগ্য একটুও ফোলে না।
  • পৃথিবীর নিয়ম বড় অদ্ভুদ, যাকে তুমি সবচেয়ে বেশী ভালবাস সেই তোমার দু:খের কারন হবে।
  • ধনীরা যে মানুষ হয় না, তার কারণ ওরা কখনো নিজের অন্তরে যায় না। দুঃখ পেলে ওরা ব্যাংকক যায়, আনন্দে ওরা আমেরিকা যায়। কখনো ওরা নিজের অন্তরে যাতে পারে না, কেননা অন্তরে কোনো বিমান যায় না।
  • আমি সবসময় নিজেক সুখী ভাবি, কারণ আমি কখনো কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করি না, কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করাটা সবসময়ই দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]