ঈশ্বর, পরম সত্তা, মহাশূন্য দ্বারা সীমাবদ্ধ নন, সময় দ্বারাও অস্পর্শিত; তাঁকে কোনো নির্দিষ্ট দিকে পাওয়া যায় না এবং তাঁর সত্তাও পরিবর্তন হতে পারে না। তাই এই গোপন কথোপকথন সম্পূর্ণরূপে আধ্যাত্মিক; এটি ঈশ্বর ও আত্মার মধ্যে এক সরাসরি সাক্ষাৎ, যা সমস্ত জাগতিক সীমাবদ্ধতা থেকে মুক্ত।
আমি বুঝতে পারি কীভাবে একজন মানুষের পক্ষে পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে নাস্তিক হওয়া সম্ভব, কিন্তু আমি কল্পনা করতে পারি না যে সে কীভাবে আকাশের দিকে তাকিয়ে বলতে পারে কোনো ঈশ্বর নেই।
আব্রাহাম লিংকন, গিলবার্ট জে. গ্রিনের লেখা স্মৃতিচারণ থেকে উদ্ধৃত, যা ফার্ডিনান্ড সি. ইগলেহার্টের দ্য স্পিকিং অক (১৯০২) এবং এরভিন এস. চ্যাপম্যানের লেটেস্ট লাইট অন আব্রাহাম লিংকন (১৯১৭) গ্রন্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
আমাদের মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমরা যত বেশি জানতে পারি... ততই এই ধারণাটির বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ে যে, একজন ঈশ্বর আছেন যিনি একটি উদ্দেশ্য নিয়ে মহাবিশ্বকে নির্মাণ করেছেন এবং আমাদের এখানে থাকার সর্বোত্তম ব্যাখ্যা হিসেবে এটিই বিবেচিত হয়।
জন লেনক্স, অ্যাওয়েক! পত্রিকায় উদ্ধৃত, ২০১০, ১১/১০, নিবন্ধ: বিজ্ঞান কি ঈশ্বরকে বিলুপ্ত করে দিয়েছে?
“আপনি যখন বুঝতে পারবেন অন্যদের সম্ভাব্য সব ঈশ্বরকে আপনি বাতিল করেন কেন, তখন বুঝতে পারবেন আমি কেন আপনার ঈশ্বরকে বাতিল করে দিই।”
― স্টিফেন এফ. রবার্টস
“বিশ্বাসীকে যুক্তি-তথ্যের সাহায্যে কিছু বােঝানাে সম্ভব নয়; কারণ তাদের বিশ্বাস প্রমাণভিত্তিক নয়, বিশ্বাস করার গভীর প্রয়ােজনীয়তার ভেতরেই তাদের বিশ্বাসের ভিত্তি নিহিত।”
― কার্ল সেগান
“সর্বজ্ঞ সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী ঈশ্বরের গল্পের যৌক্তিকতা নিয়ে অবশ্যই প্রশ্ন করা উচিত। সে ভুলভ্রান্তিতে ভরা মানুষ বানায়, আবার নিজের ভুলের জন্য দায়ী করে তাদেরকেই।”
― রােদেনবেরি