গুরু গোবিন্দ সিং

উইকিউক্তি থেকে, উন্মুক্ত উৎসের উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
বাজপাখি হাতে ও খালসা বাহিনী পরিবৃত গুরু গোবিন্দ সিংহের প্রতিকৃতি; আনুমানিক ১৮৩০ সাল, পাঞ্জাব; এশিয়ান আর্ট মিউজিয়াম অফ সান ফ্রান্সিসকোয় রক্ষিত।

গুরু গোবিন্দ সিং (পাঞ্জাবি: ਗੁਰੂ ਗੋਬਿੰਦ ਸਿੰਘ) (২২ ডিসেম্বর, ১৬৬৬ - ৭ অক্টোবর, ১৭০৮) ছিলেন শিখধর্মের দশম গুরু। তিনি বর্তমান ভারতের বিহার রাজ্যের পাটনা শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন শিখ জাতির নেতা, যোদ্ধা, কবি ও দার্শনিক। শিখ সমাজে গুরু গোবিন্দ হলেন আদর্শ পৌরুষের প্রতীক।

উক্তি[সম্পাদনা]

  • যখন আপনি আপনার ভেতর থেকে অহংকে দূর করবেন, তবেই আপনি প্রকৃত শান্তি পাবেন। এর অর্থ হল একজন ব্যক্তি সারা জীবন শান্তি খোঁজেন, কিন্তু শান্তি তার মধ্যেই থাকে। এটি পেতে হলে, আপনাকে আপনার মিথ্যা অহংকে ধ্বংস করতে হবে।
  • একজন ব্যক্তির অর্থ, যৌবন, তার জাত বা বর্ণ নিয়ে গর্ব করা উচিত নয়। যতদিন তুমি এই পৃথিবীতে আছ ততদিন এই সবই আছে। এর পর তোমার কিছুই থাকবে না।
  • যে কোনও বিদেশী, অসুখী ব্যক্তি, প্রতিবন্ধী বা অভাবীকে অবশ্যই সাহায্য করতে হবে। এতে মানসিক শান্তি ও সুখ পাওয়া যাবে। গুরুজি বিশ্বাস করতেন যে মহৎ কাজ করলে একজন ব্যক্তির অহংকার মুছে যায় এবং সে অভ্যন্তরীণ সুখ ও শান্তি পায়। তাই অসহায়দের সাহায্য করুন।
  • আপনার উপার্জনের এক দশমাংশ দান করুন। প্রতিটি ধর্মেই দানকে সর্বোত্তম কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ঈশ্বর আপনাকে রোজগার করার সুযোগ দেন। তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার জন্য, প্রত্যেক ব্যক্তির উচিত অন্যান্য অভাবী লোকদের দান করা। এই দান ঈশ্বরের অংশ এবং আপনার কর্তব্য।
  • শত্রুর মোকাবিলা করার সময় প্রথমে সাম, দম, দন্ড ও ভেদের সাহায্য নিন এবং পরে যুদ্ধে নামবেন। সঠিক কৌশল অবলম্বন করে যুদ্ধ জয় করা যায়। গুরুজী একজন দক্ষ যোদ্ধা ছিলেন, তিনি বলেছেন যে যখন শত্রুর সাথে যুদ্ধের পরিস্থিতি হয়, তখন একজন ব্যক্তির উচিত সঠিক কৌশল তৈরি করে যুদ্ধ করা, তবেই তিনি বিজয়ী হতে পারেন।
  • শুধুমাত্র ভাল কাজ করে আপনি ঈশ্বরকে খুঁজে পেতে পারেন। যে ব্যক্তি ভালো কাজ করে, আল্লাহও তাকে সাহায্য করেন। মানে ভগবানের আরাধনা করলে কিছুই হয় না, তাকে পেতে হলে কর্মফলও করতে হবে। তাই মানবতাকে বাঁচিয়ে রেখে মানুষের কল্যাণে কাজ করুন।

গুরু গোবিন্দ সিংকে নিয়ে উক্তি[সম্পাদনা]

  • শিখদের দশম গুরু কেবল যােদ্ধা ও রাজনীতিবিদ ছিলেন না, তিনি ধার্ম্মিক মহাপুরুষ ও ভগবদাদিষ্ট ধর্ম্মোপদেষ্টা ছিলেন, নানকের সাত্ত্বিক বেদান্ত শিক্ষাবহুল ধৰ্ম্মকে নতন আকার দিয়াছিলেন।
  • যাঁহারা দেশের কার্যে আত্মােৎসর্গ করিয়াছেন বা করিতে ইচ্ছুক হন, এই জীবনী তাঁহাদের শক্তিবৃদ্ধি করিবে ও ঐশ্বরিক প্রেরণা দৃঢ়ীভূত করিবে।

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]