বিষয়বস্তুতে চলুন

চাঁদ

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে
আমি মনে করি আমরা চাঁদে যাচ্ছি কারণ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা মানুষের প্রকৃতির মধ্যে রয়েছে। ~ নিল আর্মস্ট্রং
এটি [একজন] মানুষের জন্য একটি ছোট পদক্ষেপ, মানবজাতির জন্য একটি বিশাল লাফ। ~ নিল আর্মস্ট্রং

চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ এবং সৌরজগতের পঞ্চম বৃহত্তম উপগ্রহ। এটির ব্যাস ৩,৪৭৪ কিলোমিটার (২,১৫৯ মাইল) এবং পৃথিবী হতে এর গড় দূরত্ব ৩৮৪,৪০৩ কিলোমিটার (২৩৮,৮৫৭ মাইল)। পৃথিবীতে জোয়ার-ভাটার প্রভাব সৃষ্টিতে এটি মূখ্য ভূমিকা পালন করে।

উক্তি

[সম্পাদনা]
  • প্রয়ােজন নেই কবিতার স্নিগ্ধতা—
    কবিতা তােমায় দিলাম আজকে ছুটি,
    ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়ঃ
    পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝল‍্সানাে রুটি।।
  • আমি মনে করি আমরা চাঁদে যাচ্ছি কারণ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা মানুষের প্রকৃতির মধ্যে রয়েছে।
    • নিল আর্মস্ট্রং; অ্যাপোলো মিশন প্রেস কনফারেন্স (১৯৬৯), এবিসি ওয়ার্ল্ড নিউজ, এছাড়াও নরম্যান মেইলারের অব এ ফায়ার অন দ্য মুন (১৯৭০) এবং জেমস আর হ্যানসেনের ফার্স্ট ম্যান: দ্য লাইফ অফ নিল এ. আর্মস্ট্রং (২০০৫) এ উদ্ধৃত হয়েছে।
  • এটি [একজন] মানুষের জন্য একটি ছোট পদক্ষেপ, মানবজাতির জন্য একটি বিশাল লাফ।
    • আর্মস্ট্রং যখন প্রথম চাঁদে পা রাখেন (২০ জুলাই ১৯৬৯) তখন এই উক্তিটি উদ্ধৃত করেন, একটি ছোট পদক্ষেপ, অ্যাপোলো ১১ চাঁদে অবতরণের প্রতিলিপি।প্রকৃত রেকর্ডিংয়ে তিনি দৃশ্যত "মানুষ" এর আগে "একজন" বলতে ব্যর্থ হন। তিনি বলেন: "মানুষের জন্য এটি একটি ছোট পদক্ষেপ, মানবজাতির জন্য একটি বিশাল লাফ।" এটি সাধারণভাবে অনেকে তার বাদ দেওয়ার ত্রুটি হিসাবে বিবেচনা করেছিল। তবে আর্মস্ট্রং দীর্ঘদিন ধরে জোর দাবি জানিয়েছিলেন যে তিনি "একজন মানুষ" বলেছেন কিন্তু এটি শোনা যায় নি এবং তিনি উদ্ধৃতি লেখার সময় বন্ধনীতে "একজন" লিখতে বলেছিলেন। কিন্তু এই বিষয়ে বিতর্ক চলতেই থাকে। বিবিসি নিউজে (৩ জুন ২০০৯) "চাঁদের উপর আর্মস্ট্রংয়ের 'কাব্যিক' অবতরণ" নিবন্ধে ভাষাবিদ জন ওলসন এবং লেখক ক্রিস রাইলির সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ ইঙ্গিত করে যে তিনি "একজন" বলেননি।
  • সবাই চাঁদে গেছে।
    • যোনাথন কিং, গানের শিরোনাম।
  • কখনোই নয়, শপথ চাঁদের।
    • সূরা মুদ্দাসসির, আয়াত ৩২
  • এবং (আমি শপথ করছি) চাঁদের, যখন তা ভরাট হয়ে পরিপূর্ণতা লাভ করে।
    • সূরা আল-ইনশিকাক, আয়াত ১৮
  • সূর্য ও চন্দ্রকে তোমাদের কাজে নিয়োজিত করেছেন, যা অবিরাম পরিভ্রমণরত আছে। আর তোমাদের জন্য রাত ও দিনকেও কাজে লাগিয়ে রেখেছেন।
    • সূরা ইবরাহিম, আয়াত ৩৩
  • তিনিই আল্লাহ, যিনি সূর্যকে রশ্মিময় ও চন্দ্রকে জ্যোতিপূর্ণ করেছেন এবং তাঁর (পরিভ্রমণের) জন্য বিভিন্ন ‘মনজিল’ নির্ধারণ করেছেন, যাতে তোমরা বছরের গণনা ও (মাসের) হিসাব জানতে পারো। আল্লাহ এসব যথার্থ উদ্দেশ্য ছাড়া সৃষ্টি করেননি। যেসব লোক জ্ঞান-বুদ্ধি রাখে, তাদের জন্য তিনি এসব নিদর্শন সুস্পষ্টরূপে বর্ণনা করেন।
    • সূরা ইউনুস, আয়াত ৫
  • (আল্লাহই) ভোরের উদঘাটক। তিনিই রাতকে বানিয়েছেন বিশ্রামের সময় এবং সূর্য ও চন্দ্রকে করেছেন এক হিসাবের অনুবর্তী। এসব মহাপরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞ সত্তার পরিকল্পনা।
    • সূরা আল-আনআম, আয়াত ৯৬
  • তিনি দিন-রাত ও চন্দ্র-সূর্যকে তোমাদের সেবায় নিয়োজিত করেছেন। নক্ষত্ররাজিও তাঁর নির্দেশে কর্মরত আছে। নিশ্চয়ই এর ভেতর বহু নিদর্শন আছে সেসব লোকের জন্য, যারা বুদ্ধি কাজে লাগায়।
    • সূরা আন-নাহল, আয়াত ১২
  • চাঁদের উদয় এবং অস্তের নির্দিষ্ট সময় রয়েছে এরপর তার এই পরিক্রমণ বন্ধ হয়ে যায়। তুমি দেখোনি আল্লাহ রাতকে দিনের মধ্যে প্রবিষ্ট করান এবং দিনকে রাতের মধ্যে প্রবিষ্ট করান এবং তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে কাজে নিয়োজিত করে রেখেছেন, প্রত্যেকটি নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত বিচরণশীল এবং (তুমি কি জানো না) আল্লাহ তোমরা যা কিছু করছ সে সম্পর্কে পরিপূর্ণ অবগত?
    • সূরা লুকমান, আয়াত ২৯
  • এবং তিনিই সেই সত্তা, যিনি রাত, দিন, সূর্য ও চন্দ্র সৃষ্টি করেছেন। প্রত্যেকেই কোনো না কোনো কক্ষপথে সাঁতার কাটছে।
    • সূরা আম্বিয়া, আয়াত ৩৩
  • সূর্য নাগাল পায় না চাঁদের আর রাতের পক্ষে সম্ভব নয় দিনকে অতিক্রম করা। প্রত্যেকেই নিজ নিজ কক্ষপথে সন্তরণ করে।
    • সূরা ইয়াসিন, আয়াত ৪০
  • আর চাঁদের জন্য আমি নির্দিষ্ট করে দিয়েছি বিভিন্ন মনজিল। পরিশেষে তা (নিজ মনজিল অতিক্রম করে) ফিরে আসে পুরনো খেজুর ডালার মতো (সরু হয়ে)।
    • সূরা ইয়াসিন, আয়াত ৩৯
  • কিয়ামত কাছে এসে গেছে এবং চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়েছে।
    • সূরা আল-কামার, আয়াত ১
  • এবং চাঁদ নিষ্প্রভ হয়ে যাবে। এবং চাঁদ ও সূর্যকে একত্র করা হবে।
    • সূরা কিয়ামা, আয়াত ৮-৯
  • সূর্য ও চন্দ্র হিসাবমত চলে।
    • সূরা আর-রহমান, আয়াত ৫
  • নিশ্চয়ই তোমাদের রব হচ্ছেন সেই আল্লাহ, যিনি আসমান ও জমিনকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি স্বীয় আরশের ওপর সমাসীন হন। তিনি দিনকে রাত দ্বারা আচ্ছাদিত করেন, যাতে ওরা একে অন্যকে অনুসরণ করে চলে ত্বরিতগতিতে; সূর্য, চাঁদ ও নক্ষত্ররাজি সবই তাঁর হুকুমের অনুগত। জেনে রেখো, সৃষ্টির একমাত্র কর্তা তিনিই, আর হুকুমের একমাত্র মালিকও তিনি, সারা জাহানের রব আল্লাহ হলেন বরকতময়।
    • সূরা আরাফ, আয়াত ৫৪

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]