বিষয়বস্তুতে চলুন

শ্রদ্ধা

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে

শ্রদ্ধা একজন ব্যক্তির জন্য সম্মান সূচক একটি ইতিবাচক অনুভূতি। সম্মানিত ব্যক্তির প্রকৃত গুণাবলী জন্য এটি একটি নির্দিষ্ট অনুভূতি। এটি সম্মানের একটি নির্দিষ্ট নৈতিকতা অনুযায়ী পরিচালিত হতে পারে। যাকে মন থেকে সম্মান করা হয় সেটাই শ্রদ্ধা।

উক্তি[সম্পাদনা]

  • শ্রাদ্ধদিনের ভিতরকার কথাটি—শ্রদ্ধা। শ্রদ্ধা শব্দের অর্থ হচ্ছে বিশ্বাস।
    • শান্তিনিকেতন (দ্বিতীয় খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক-বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল-১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৪
  • প্রিয়জনেরই মৃত্যুর পরে প্রেমের আলোকে আমরা এই অনুন্ত অমৃতলোককে আবিষ্কার করে থাকি। সেই তো আমাদের শ্রদ্ধার দিন— সত্যের প্রতি শ্রদ্ধা, অমৃতের প্রতি শ্রদ্ধা। শ্রাদ্ধের দিনে আমরা মৃত্যুর সম্মুখে দাঁড়িয়ে অমৃতের প্রতি সেই শ্রদ্ধা নিবেদন করি; আমরা বলি, মাকে দেখছি নে, কিন্তু মা আছেন। চোখে দেখে হাতে ছুঁয়ে যখন বলি ‘মা আছেন’ তখন সে তো শ্রদ্ধা নয়— আমার সমস্ত ইন্দ্রিয় যেখানে শূন্যতার সাক্ষ্য দিচ্ছে সেখানে যখন বলি ‘মা আছেন’ তখন তাকেই যথার্থ বলে শ্রদ্ধা। নিজে যতক্ষণ পাহারা দিচ্ছি ততক্ষণ যাকে বিশ্বাস করি তাকে কি শ্রদ্ধা করি? গোচরে এবং অগোচরেও যার উপর আমার বিশ্বাস অটল তারই উপর আমার শ্রদ্ধা। মৃত্যুর অন্ধকারময় অন্তরালেও যাকে আমার সমস্ত চিত্ত সত্য বলে উপলব্ধি করছে তাকেই তো যথার্থ আমি সত্য বলে শ্রদ্ধা করি।
    • শান্তিনিকেতন (দ্বিতীয় খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক-বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল-১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৬ - ১২৭
  • আমাদের অসীম শক্তি আছে—নাই আমাদের আত্ম-বিশ্বাস ও শ্রদ্ধা। নিজের উপর, নিজের জাতির উপর বিশ্বাস ও শ্রদ্ধা ফিরাইয়া আনিতে হইবে। দেশবাসীকে অন্তরের সঙ্গে ভালবাসিতে হইবে। মানুষ অন্তরের সহিত যাহা আকাঙ্ক্ষা করে তাহা একদিন পাইবেই পাইবে।
    • সুভাষচন্দ্র বসু
      • নেতাজীর জীবনী ও বাণী - নৃপেন্দ্রনাথ সিংহ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১১

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]