বিষয়বস্তুতে চলুন

কবীর চৌধুরী

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে

কবীর চৌধুরী ১৯২৩ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্মগ্রহণ করেন । তাঁর পিতা আবদুল হালিম চৌধুরী ও মাতা আফিয়া বেগম। কবীর চৌধুরী ১৯৩৮ সালে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল থেকে প্রবেশিকা ও ১৯৪০ সালে ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। তিনি ১৯৪৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক সম্মান এবং ১৯৪৪ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি অধ্যয়ন করেন। চাকরি ও অধ্যাপনা করে তাঁর কর্মজীবন শেষ হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসেবে তিনি অবসর গ্রহণ করেন। তিনি জাতীয় অধ্যাপক উপাধিতে ভূষিত হন। তিনি শিক্ষাবিদ প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। প্রগতিশীল, অসাম্প্রদায়িক একটি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা : ছয় সঙ্গী, প্রাচীন ইংরেজি কাব্য সাহিত্য, আধুনিক মার্কিন সাহিত্য, সাহিত্য কোষ, স্তদাল থেকে প্রস্ত, পুশকিন ও অন্যান্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব, মুক্তিযুদ্ধ চর্চা, ছোটদের ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাস, ছবি কথা সুর, শহিদের প্রতীক্ষায়। তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও একুশে পদকসহ অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হন। কবীর চৌধুরী ২০১১ সালের ১৩ই ডিসেম্বর পরলোকগমন করেন।

উক্তি[সম্পাদনা]

  • স্মৃতি সতত সুখের। স্মৃতি অনেক সময় প্রতারকও বটে। তবু স্মৃতি মানুষের এক চমৎকার সম্পদ। অবশ্য একটু বয়স না হলে এ সম্পদের যথার্থ মূল্যায়ন করা যায় না এবং বয়স যত বাড়তে থাকে, স্মৃতি যেন তত দূর অতীতের গর্ভে সরে যেতে থাকে।
    • কবীর চৌধুরী, আমার ছোটবেলা, পৃষ্ঠা ১
  • ইংরেজ সাম্রাজ্যবাদী বেনিয়া শক্তির সামনে স্বাধীন বাঙলার সূর্য ডুবে যাওয়ার পূর্ব মুহূর্তে সিরাজদ্দৌলা শেষ বারের মতো লড়াই করার জন্য ডাক দিয়েছিলেন হিন্দু-মুসলমান উভয়কে।আমাদের ঐতিহ্য তো মীর মদন ও মোহন লালের, তিতুমীর ও মঙ্গল পাণ্ডের, গোবিন্দ দেব ও মুনীর চৌধুরীর।তবে কেন এখন এরকম ঘটছে?পাকিস্তানি আমলের ধর্মের নামে নৃশংসতার ইতিহাস ভুলে যাওয়া কি এতই সহজ?
    • কবীর চৌধুরী, জয়তু পহেলা বৈশাখ, বাংলাদেশের উৎসব: নববর্ষ, পৃষ্ঠা ২০২
  • স্কুলজীবনের বহু টুকরো টুকরো স্মৃতি আজও মনে উজ্জ্বল হয়ে জেগে আছে।
    • কবীর চৌধুরী, আমার ছোটবেলা, পৃষ্ঠা ৬৪
  • পয়লা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ বাঙালির এক অনন্য উৎসব, তার অন্যতম জাতীয় উৎসব। এর ঐতিহ্য সুপ্রাচীন ও গৌরবমণ্ডিত।
    • কবীর চৌধুরী, জয়তু পহেলা বৈশাখ, বাংলাদেশের উৎসব: নববর্ষ, পৃষ্ঠা ২০০
  • স্কুলজীবনের মতো কলেজ জীবনেও পড়াশোনার পাশাপাশি খেলা, আবৃত্তি, বিতর্ক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদিতে আমার প্রচুর উৎসাহ ছিল। পিংপং তথা টেবিল টেনিসে মশিহুর রহমানের কাছে হেরে যাই। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা আজও মনে আছে।
    • কবীর চৌধুরী, আমার ছোটবেলা, পৃষ্ঠা ১০১

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]