হিন্দুধর্ম

উইকিউক্তি থেকে, উন্মুক্ত উৎসের উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন

হিন্দুধর্ম একটি ভারতীয় উপমহাদেশীয় ধর্ম বা জীবনধারা। এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ধর্ম, যার অনুসারী সংখ্যা ১২০ কোটিরও বেশি, বা বিশ্বব্যাপী জনসংখ্যার ১৫-১৬%, যারা হিন্দু নামে পরিচিত।

উক্তি[সম্পাদনা]

“সকলকে আপন করে আত্মীভূত করে নেয়, আমার মতে হিন্দুধর্মের সৌন্দর্য সেটাই। মহাভারতের পবিত্র স্রষ্টা তাঁর মহান সৃষ্টি সম্পর্কে যা বলেছেন, হিন্দুধর্মের বেলাও তাই সত্য। যে কোন ধর্মে যা সারবস্তু আছে, হিন্দুধর্মেও তা আছে। হিন্দুধর্মে যা নেই, তা অসার ও অপ্রয়োজনীয়।”
― ইয়ং ইন্ডিয়া, ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯২৫, মহাত্মা গান্ধী
“পরীক্ষা করে দেখলাম, যত ধর্ম জানি, তার মধ্যে হিন্দুধর্ম সবচেয়ে সহিষ্ণু। এ ধর্ম কট্টরতা থেকে মুক্ত। এ ধর্ম এর প্রবক্তাকে আত্মবিকাশের সুযোগ দেয়। তাই আমার কাছে এর আবেদন খুব জোরালো। এ ধর্ম স্ব-সর্বস্ব নয়। তাই এ ধর্মে বিশ্বাসীদের, অন্য সব ধর্মকে শ্রদ্ধা করতেই শুধু শেখায় না, অন্যান্য ধর্মবিশ্বাসে যা কিছু ভালো, তাকে শ্রদ্ধা ও আত্মস্থ করতেও শেখায়। সকল ধর্মেই অহিংসার কথা আছে। তবে হিন্দুধর্মেই তা সর্বাধিক অভিব্যক্তি পেয়েছে, তার প্রয়োগও হয়েছে। (আমি জৈন ও বৌদ্ধধর্মকে হিন্দুধর্ম থেকে স্বতন্ত্র মনে করি না)। শুধু সকল মানব নয়, সকল প্রাণীর একত্বেই বিশ্বাস করে হিন্দুধর্ম।”
― ইয়ং ইন্ডিয়া, ২০ অক্টোবর ১৯২৭, মহাত্মা গান্ধী
“প্রকৃত হিন্দুধর্ম মানুষকে কর্মযোগী করিয়া তোলে, কল্পনাবিলাসী নহে।”
জগদীশ চন্দ্র বসু
“হিন্দু ধর্মের সৌন্দর্য হ'ল, এটি কোনও মনুষ্যনির্মিত ঐতিহাসিক ধর্ম নয়। এটি কোনও গির্জার, ত্রাণকর্তা ও ভাববাদীর উপর নির্ভর করে বা কোনও বিশ্বাস বা গোড়ামির প্রচার করে না; হিন্দু ধর্ম পৃথিবী এবং প্রকৃতি থেকে উত্থিত হয়, আমাদের অন্তর্নির্মিত হতে। এটি আমাদের মধ্যে সমগ্র মহাবিশ্বকে অভ্যন্তরীণ করতে দেয়। যখন পুরো বিশ্ব লেখাপড়া জানতো না, তখন ভারতের হিন্দুরা বেদ লিখেছিলেন। যখন পুরো বিশ্বে শিক্ষা চালু ছিল না তখন ভারতের হিন্দুদের গুরুকুলের মাধ্যমে শিক্ষা দেওয়া হতো!”
ডেভিড ফ্রাউলি
“আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের মতোই হিন্দুরা মহাজাগতিক মহাবিশ্বকে একটি চক্রীয় প্রকৃতির বলে মনে করেছিল। শিবের নৃত্যের দ্বারা প্রকাশিত প্রতিটি কল্পের পরিনামও পরবর্তী যুগের সূচনা।”
আর্থার হোমস


আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]