বিষয়বস্তুতে চলুন

সুধীন্দ্রনাথ দত্ত

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে

সুধীন্দ্রনাথ দত্ত (৩০ অক্টোবর ১৯০১ - ২৫ জুন ১৯৬০) বাংলা ভাষার একজন আধুনিক কবি। বিংশ শতকের ত্রিশ দশকের যে পাঁচ জন কবি বাংলা কবিতায় রবীন্দ্র প্রভাব কাটিয়ে আধুনিকতার সূচনা ঘটান সুধীন্দ্রনাথ তাদের মধ্যে অন্যতম। সুধীন্দ্রনাথ দত্ত পেশায় অধ্যাপক হলেও আজীবন সাহিত্য সাধনায় নিজেকে যুক্ত রেখেছিলেন।

উক্তি[সম্পাদনা]

  • ফাটা ডিমে আর তা দিয়ে কী ফল পাবে?
    মনস্তাপেও লাগবে না ওতে জোড়া।
    অখিল ক্ষুধায় শেষে কি নিজেকে খাবে?
    কেবল শূন্যে চলবে না আগাগোড়া।
    তার চেয়ে আজ আমার যুক্তি মানো,
    সিকতাসাগরে সাধের তরণী হও;
    মরুদ্বীপের খবর তুমিই জানো,
    তুমি তো কখনো বিপদ্‌প্রাজ্ঞ নও। (উটপাখী কবিতা থেকে)
  • বর্বর বায়ু চিরায়ু অচলচূড়ে
    মুছে দিবে মোর অশুচি পায়ের রেখা।
    মার্জিতরুচি জনপদে, বহু দূরে,
    ভিড়ে মিশে আমি ভেসে যাব একা একা।। (জাতিস্মর)

সুধীন্দ্রনাথ দত্তকে নিয়ে উক্তি[সম্পাদনা]

  • সুধীন্দ্রনাথ দত্ত আধুনিক বাংলা কাব্যের সবচেয়ে বেশি নিরাশাকরোজ্জ্বল চেতনা। সর্বব্যাপী নাস্তিকতা, দার্শনিক চিন্তা, সামাজিক হতাশা এবং তীক্ষ্ণ বুদ্ধিবাদ তার কবিতার ভিত্তিভূমি।
  • সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন একাধারে কবি ও বিদ্বান, স্রষ্টা ও মনস্বী। সংস্কৃত ও বাংলা সাহিত্যে, এবং একই সঙ্গে আবহমান পাশ্চাত্য সাহিত্যে তাঁর মতো বিস্তীর্ণ ও যত্নলব্ধ জ্ঞান ভারত ভূমিতে বিরল ও বিস্ময়কর।
  • প্রসঙ্গ, প্রকরণ ও বিন্যাস-যার কথাই ভাবি না কেন, নব নব গন্তব্যে পৌঁছুনোর উচ্চাশা কবির নেই। নেই রাবীন্দ্রিক শতবিচিত্রতা, একই কথা প্রায় একই ভঙ্গিতে তিনি বিভিন্ন কাব্যকোরাসে বলেছেন। একই কথা, কিন্তু দ্বিতীয় রহিত। অর্থাৎ সহজীবি কবিদের থেকে একেবারে আলাদা। তাঁর প্রকাশরীতি ও অভিজ্ঞতার পরিধি ছোট, ছোট কিন্তু গভীর, আর নিখুঁত নিটোল, নিজস্ব ও সমস্ত সুন্দর।
    • সুধীন্দ্রনাথ দত্ত সম্পর্কে আবদুল মান্নান সৈয়দ।

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

উইকিসংকলন
উইকিসংকলন
উইকিসংকলনে এই লেখক রচিত অথবা লেখক সম্পর্কিত রচনা রয়েছে: