বাংলাদেশ
অবয়ব


বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র। বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। ভূ-রাজনৈতিক ভাবে বাংলাদেশের পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয়, পূর্ব সীমান্তে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম, দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে মায়ানমারের চিন ও রাখাইন রাজ্য এবং দক্ষিণ উপকূলের দিকে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত। ভৌগোলিকভাবে পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপের সিংহভাগ অঞ্চল জুড়ে বাংলাদেশ ভূখণ্ড অবস্থিত। নদীমাতৃক বাংলাদেশ ভূখণ্ডের উপর দিয়ে বয়ে গেছে ৫৭টি আন্তর্জাতিক নদী। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বে ও দক্ষিণ-পূর্বে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় ছেয়ে আছে। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য সুন্দরবন ও দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সৈকত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশে অবস্থিত।
উক্তি
[সম্পাদনা]- আমাদের মনে এই বিশ্বাস আছে, পূর্ববঙ্গে যদি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে পারি তাহলে হিন্দিভাষীদের দ্বারা শাসিত এবং নির্যাতিত পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরাও একসময় স্বাধীন বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হতে ইচ্ছুক হবে।
- বাংলাদেশ বিপ্লবী পরিষদের আঁকা স্বাধীন বাংলার পতাকা প্রসঙ্গে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান [১]
- একসময় এদেশের বুক হইতে, মানচিত্রের পৃষ্ঠা হইতে 'বাংলা' কথাটির সর্বশেষ চিহ্নটুকু চিরতরে মুছিয়া ফেলার চেষ্টা করা হইয়াছে। একমাত্র 'বঙ্গোপসাগর' ছাড়া আর কোনো কিছুর নামের সঙ্গে 'বাংলা' কথাটির অস্তিত্ব খুঁজিয়া পাওয়া যায় নাই। জনগণের পক্ষ হইতে আমি ঘোষণা করিতেছি, আজ হইতে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশটির নাম 'পূর্ব পাকিস্তান'-এর পরিবর্তে শুধুমাত্র 'বাংলাদেশ'।
- শেখ মুজিবুর রহমান, ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায়।
- "কারাগারের রোজনামচা"- শেখ মুজিবুর রহমান। প্রকাশক: বাংলা একাডেমি, প্রকাশকাল: মার্চ ২০১৭, পৃষ্ঠা: ২৭৪
- শেখ মুজিবুর রহমান, ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায়।
- বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা-হাঙ্গামা রোধ করা যেত যদি পশ্চিমবঙ্গ, আসাম এবং পূর্ববঙ্গ মিলে সকল সম্প্রদায়ের একটি স্বাধীন দেশ হতো।
- সাবাস, বাংলাদেশ, এ পৃথিবী
অবাক তাকিয়ে রয়:
জ্বলে পুড়ে-মরে ছারখার
তবু মাথা নোয়াবার নয়।- সুকান্ত ভট্টাচার্য। "সুকান্ত সমগ্র", প্রকাশক: সারস্বত লাইব্রেরী, প্রথম প্রকাশ: ৩১শে শ্রাবণ ১৩৬৪, পৃষ্ঠা: ১৭৮ [৩]
- বাঙালিকে, বাঙালির ছেলেমেয়েকে ছেলেবেলা থেকে শুধু এই এক মন্ত্র শেখাও :
এই পবিত্র বাংলাদেশ
বাঙালির-আমাদের।
দিয়া প্রহারেণ ধনঞ্জয়
তাড়াব আমরা, করি না ভয়
যত পরদেশি দস্যু ডাকাত
রামাদের গামাদের।
বাংলা বাঙালির হোক! বাংলার জয় হোক। বাঙালির জয় হোক।- কাজী নজরুল ইসলাম। 'বাঙালির বাংলা’ প্রবন্ধ।[৪]
- নম নম নমো বাংলাদেশ মম
চির-মনোরম চির মধুর।
বুকে নিরবধি বহে শত নদী
চরণে জলধির বাজে নূপুর॥- কাজী নজরুল ইসলাম [৫]
- হিমাদ্রিশিখরচ্যুত
গঙ্গার পলিতে পূত
বঙ্গোপসাগরে ভাসা এই দেশ অনন্ত অশেষ
যতদূর বাংলাভাষা, ততদূর এই বাংলাদেশ- "যতদূর বাংলাভাষা ততদূর এই বাংলাদেশ" - মুহম্মদ নূরুল হুদা, প্রকাশক: বিভাস, প্রথম প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি ২০১৩, পৃষ্ঠা: ১২
- কবির দেশ বীরের দেশ
আমার দেশ স্বাধীন দেশ
বাংলাদেশ।
ধানের দেশ গানের দেশ
তেরো শত নদীর দেশ
বাংলাদেশ।- সৈয়দ শামসুল হক। "আমাদের এই বাংলাদেশ" কবিতার অংশ।
- আমি নানা দেশ ভ্রমন করেছি কিন্তু কখনো নিজের জন্মভুমি বাংলাদেশ বিশেষভাবে দেখা হয়নি । জানতাম না এ দেশের জলস্থলে সর্বত্র সৌন্দর্য, কিন্তু নানা দেশ ভ্রমন করে এই লাভ হয়েছে যে, আমি বাংলার সৌন্দর্য বিশেষভাবে উপলব্ধি করতে পারছি।
- ১৯০১ সালের ৩০শে মার্চ ঢাকার জগন্নাথ কলেজে স্বামী বিবেকান্দ এটি বলেছিলেন।[৬]
ক
[সম্পাদনা]- স্থানীয় বা আন্তর্জাতিক কোনো সংস্থা বাংলাদেশে আইএসের উপস্থিতি প্রমাণ করতে পারেনি। আমার মনে হয়না, আন্তর্জাতিক কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর জন্য বাংলাদেশ অভয়ারণ্য হতে পারে।
শ
[সম্পাদনা]- বাংলার উর্বর মাটিতে যেমন সোনা ফলে, ঠিক তেমনি পরগাছাও জন্মায়! একইভাবে, বাংলাদেশে কতকগুলো রাজনৈতিক পরগাছা রয়েছে, যারা বাংলার মানুষের বর্তমান দুঃখ-দূর্দশার জন্য দায়ী।
- বাংলাদেশের সব বাড়ীই আমার বাড়ী।
- শেখ মুজিবুর রহমান, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র- দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬৩
- পাট, চা ইত্যাদিসহ আমাদের যা প্রয়োজন বাংলাদেশেই তা আছে।
- শেখ মুজিবুর রহমান, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র- দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬৩
হ
[সম্পাদনা]- বাংলাদেশ ধনী দেশ নয়, কিন্তু আমাদের হৃদয় অনেক বড়।
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]উইকিপিডিয়ায় বাংলাদেশ সম্পর্কিত একটি নিবন্ধ রয়েছে।
উইকিঅভিধানে বাংলাদেশ শব্দটি খুঁজুন।
উইকিভ্রমণে বাংলাদেশ সম্পর্কিত ভ্রমণ নির্দেশিকা রয়েছে।
উইকিমিডিয়া কমন্সে বাংলাদেশ সংক্রান্ত মিডিয়া রয়েছে।